ঢাকা,  সোমবার   ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

পরোয়ানা হাতে পেলেই গ্রেপ্তার নয়, যাচাই করতে হবে সত্যতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৭:৫৪, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পরোয়ানা হাতে পেলেই গ্রেপ্তার নয়, যাচাই করতে হবে সত্যতা
ছবি: সংগৃহীত

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা হাতে পেলেই কোনো নাগরিককে গ্রেপ্তার বা হয়রানি করা যাবে না। পরোয়ানা কার্যকরের আগে পুলিশের কেন্দ্রীয় ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম থেকে এর সত্যতা যাচাই করতে হবে। একই সঙ্গে নালিশি মামলা দায়েরের সময় বাদী ও আইনজীবীর পরিচয় নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

ভুয়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মাধ্যমে নাগরিকদের গ্রেপ্তার ও হয়রানি বন্ধে করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম ও বিচারপতি মুরাদ-এ-মওলা সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালত এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে সার্কুলার জারি করতে পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) নির্দেশ দিয়েছেন।

Advertisement

আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, কোনো পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করতে গেলে আগে কেন্দ্রীয় ডাটা ব্যবস্থাপনা সিস্টেম থেকে পরোয়ানাটির সত্যতা যাচাই করে এরপর গ্রেপ্তারের ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে আদালতের নির্দেশনা উল্লেখ করে আইজিপিকে সার্কুলার জারি করে তা সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে পাঠাতে বলা হয়েছে।

অন্য এক আদেশে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে নিম্ন আদালতের সব বিচারকের কাছে নির্দেশনা পাঠাতে বলা হয়েছে। এতে যে কোনো নালিশি মামলা দায়েরের সময় বাদী ও আইনজীবীর পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য আইনজীবীর প্রফেশনাল কার্ড এবং বাদীর জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) কপি মামলার সঙ্গে সংযুক্ত রাখার ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।

রায়ে বলা হয়, কোনো নাগরিককে গ্রেপ্তার করতে হলে ফৌজদারি কার্যবিধিতে নির্ধারিত বিধান অনুসরণ করে ব্যবস্থা নিতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে তা আইনের লঙ্ঘন হবে। ভুয়া ওয়ারেন্টের মাধ্যমে কাউকে গ্রেপ্তার করা হলে তার মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/একেকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!