কিন্তু কোনোটাই কি খেতে পছন্দ করেন না এর কটু গন্ধের জন্য! তাহলে জীবনে ভুলই করছেন এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
পুষ্টিবিদদের মতে, মুলা পুষ্টিগুণে ভরপুর। ভিটামিন এ, বি, সি-র পাশাপাশি ক্লোরিন, ফসফরাস, সোডিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম ইত্যাদি মুলা থেকে পাওয়া যায়। এতে প্রচুর পরিমাণে জলীয় উপাদান ও ফাইবার রয়েছে। যা শরীরের টক্সিক নামের বিষ নিমিষেই বের করে দিতে পারে। সেই সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্যও দূর করে।
.png)
রক্ত পরিষ্কার করতেও মুলার বিকল্প কিছু হতে পারে না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এছাড়া মুলার উপাদানে রয়েছে বিলিরুবিন অপসারণ করার ক্ষমতা। তাই জন্ডিসের বিরুদ্ধে শরীরে প্রতিরক্ষা দুর্গ তৈরি করতে পারে মুলা।
মুলা শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়িয়ে দেয়। যে কারণে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য আর লাবণ্য বাড়াতেও কাজ করে মুলা।
চিকিৎসকরা বলছেন, মুলা প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। তাই কিডনি, কোলন, পেট, অন্ত্র, মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে মুলা। মুলার অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণ থাকায় এ সবজি কার্ডিওভাসকুলার রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ সারাতেও মুলা ভালো কার্যকরী।
হৃদ্যন্ত্র ভালো রাখতে কিংবা শরীরে ক্যানসারের বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও মুলা কার্যকরী। তাই মুলা খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন ডায়েটেশিয়ানরাও। তবে অনেকেই বাজে গন্ধের জন্য এ সবজি খেতে চান না।
তাদের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের অভিমত, জীবনে ভুল করছেন তারা। কেননা, শীতের মৌসুমে সর্দি, ইনফেকশন, অ্যালার্জি, শ্বসনতন্ত্রের সংক্রমণ, ডায়েবেটিস, রক্তচাপ সবকিছুই নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে মুলা। হজম শক্তি বাড়িয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণেও দারুণ কাজ করে মুলা। তাই যারা মুলা খান না; তারা এ সবজির প্রাকৃতিক উপাদান আর উপকারিতা থেকে দিনের পর দিন বঞ্চিত হচ্ছেন।