বাজারে কাঁকরোল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা, গোল বেগুন ১০০ টাকা, লম্বা বেগুন ৯০ টাকা, পেঁপে ৬০ টাকা, জালি কুমড়া প্রতি পিস ৫০ থেকে ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৪০ টাকা, লতি ৬০ টাকা, ঝিঙ্গা ৬০ টাকা, ধুন্দল ৬০ টাকা, করোলা ৮০ টাকা, পটল ৬০ থেকে ৭০ টাকা, গাজর ১০০ টাকা, কচুরমুখী ১০০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৭০ টাকা, লেবু প্রতি হালি ৬০ টাকা এবং ঢেঁড়স ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
কোরবানির ঈদের পর হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে কাঁচা মরিচের দাম। খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বর্ষা মৌসুমে বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ কম থাকে। এছাড়া বৃষ্টির জন্য খরচ বেড়েছে। তাই মরিচের দামও বাড়তি।
.png)
পেঁয়াজ ও আলুর দামও বেড়েছে। বাজারে এখন দেশি পেঁয়াজই বেশি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। আলুর কেজি সর্বনিম্ন ৬০ টাকা। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে সরবরাহ বাড়লে পেঁয়াজ, আলুর দাম কমবে।
বাজারে ব্রয়লার মুরগির বাদামি ডিমের দাম ডজনপ্রতি ১০ টাকা কমেছে। কারওয়ান বাজারে প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হয় ১৪০ টাকায়। তবে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় প্রতি ডজন ডিম ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
তবে ব্রয়লার মুরগি প্রতিকেজি ১৭০-১৯০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৯০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে।
এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে রসুনের দাম কমেছে, তবে বেড়েছে শসা ও টমেটোর দাম। দেশি ও আমদানি করা উভয় ধরনের রসুনে কেজিতে ১০-২০ টাকা দাম কমেছে। আর শসা ও টমেটোর কেজিতে ২০-৪০ টাকা দাম বেড়েছে। অন্যান্য সবজি ও মাছের দাম মোটামুটি অপরিবর্তিত রয়েছে।