বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মিরপুর, শেওড়াপাড়া, খিলগাঁও, যাত্রাবাড়ী ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সরবরাহ সংকটের কারণে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে বলে জানায় খুচরা ব্যবসায়ীরা।
তারা বলেন, কোরবানি ঈদের সময় বাজারে ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে। যা এখন ১০০-১১০ টাকায় পৌঁছেছে। এই হিসেবে ১৫ দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজ কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা। আর গত তিনদিনেই বেড়েছে ১০ টাকা।
.png)
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বাজার করতে আসা সুলতান আহম্মেদ বলেন, বাজারে সব কিছুর দামই চড়া। এখন ধরেন পেঁয়াজের দাম বলছে ১০০ টাকা। আধা ঘণ্টা পর এর দাম ৮০ টাকাও হতে পারে, আবার ১২০ টাকাও বিক্রি করতে পারে।
বাজারের বিক্রেতা নাজিম উদ্দীন বলেন, আলাদা করে কারও কাছে পেঁয়াজের মজুত নেই। গৃহস্থদের কাছে যা আছে, সেগুলোই ব্যবসায়ীদের কাছে আসছে। গৃহস্থরা এবার আস্তে আস্তে বাজারে পেঁয়াজ ছাড়ছে। সব একবারে ছাড়েনি। তাই দাম উঠানামা করে।
এদিকে বাংলাদেশের অন্যতম সুপার শপ মীনা বাজারে কেজিপ্রতি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০৪ টাকা দরে।
পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানায়, ভারত থেকে চার-পাঁচ মাস পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ ছিল। এর ফলে বাজারে সরবরাহ কম ছিল। সেই সময় মানুষ বেশি পরিমাণে দেশি পেঁয়াজ কিনেছেন। পরে আবার ভারত পেঁয়াজ রফতানির অনুমতি দেয় কিন্তু এর ওপর ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। এতেই দেশে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়। ফলে বাজারে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম দেশি পেঁয়াজের চেয়েও বেশি।
এছাড়া বর্তমানে ভারত থেকে কম পরিমাণে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে বলেও জানান ব্যবসায়ীরা।
এদিকে কৃষি বিভাগ বলছে, দেশে বছরে পেঁয়াজের চাহিদা ৩০ লাখ টন। ২০২২-২৩ অর্থবছরে উৎপাদন হয়েছে ৩৫ লাখ টন। হিসাব অনুযায়ী চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন বেশি আছে। এ হিসাবে বাজারে পেঁয়াজের ঘাটতি হওয়ার কথা নয়।