সোমবার সকাল ১০টা থেকে এসব ব্যক্তিকে জিজ্ঞাবাদ করা হয়।
দুদকের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
.png)
সূত্র জানায়- সুবিধাভোগী এসব ব্যক্তি ফাস ফাইন্যান্স থেকে প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা আত্মসাতের রহস্য উদঘাটনে জন্য ১২ কর্মকর্তাকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
জানা গেছে, একে একে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান, পরিচালনা পর্ষদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ আরো যারা অর্থ আত্মসাতে জড়িত সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। আসল ঘটনা উদঘাটনে আইনি সব ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জিজ্ঞাবাদের তালিকায় থাকা ব্যক্তিরা হলেন- এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়াজ আহমেদ ফারুকী, দিপক কুমার চক্রবর্তী, সাবেক এসভিপি এবং কর্পোরেট ফিনান্স অ্যান্ড রিকভারি এবং আইন বিভাগের প্রধান মো. জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, প্রিন্সিপাল শাখা ব্যবস্থাপক তানভির আহমেদ কমল, আইসিসি অ্যান্ড রিকভারি হেড- মো. মনির হোসেন ও সিনিয়র অফিসার মিসেস মৌসুমী পাল।
ম্যানেজার আহসান রাকিব, সাবেক সিনিয়র অফিসার মিসেস তাসনিয়া তাহসিন রোজালিন, ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেপুটি ম্যানেজার ও কর্পোরেট ফাইন্যান্স বিভাগের প্রধান মীর ইমাদুল হক, সাবেক ভিপি এবং সিএফও মো. মনিরুজ্জামান আকন্দ, মো. সাবেক এসভিপি আজিমুল হক এবং সাবেক এসইভিপি এবং সিএডির প্রধান প্রাণ গৌরাঙ্গ দে।
অভিযোগ রয়েছে, ফাস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহারপূর্বক প্রতারণার মাধ্যমে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করে কোনোরূপ ঋণ আবেদন গ্রহণ না করেই যাচাই-বাছাই ছাড়াই কোনো মর্টগেজ গ্রহণ ছাড়া প্রায় ২০টি কাগুজে ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানকে ভূয়া ঋণ পাইয়ে দিতে সহযোগিতা করেন।