প্রস্তুত জাতীয় ঈদগাহ, জামাতে অংশ নেবেন ৩৫ হাজার মানুষ
জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এবার জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ নামাজ আদায় করতে পারবেন।
শনিবার জাতীয় ঈদগাহ ঘুরে দেখা গেছে, চলছে শেষ সময়ের প্রস্তুতি। টেবিল ফ্যান বসানোর কাজ চলছে সারিগুলোতে। আগেই শেষ হয়েছে বাঁশ দিয়ে প্যান্ডেল তৈরির কাজ। নামাজের কাতারে বসানো হচ্ছে বিশেষ কাপড়। এছাড়া বৃষ্টি এলে যেন মুসল্লিদের কোনো সমস্যা না হয়, সেজন্য প্যান্ডেলে ত্রিপল লাগানো হয়েছে। সব মিলিয়ে জামাত আয়োজনের প্রায় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

জাতীয় ঈদগাহের সার্বিক প্রস্তুতি পরিস্থিতি তুলে ধরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, ঈদুল আজহার জামাতকে কেন্দ্র করে জাতীয় ঈদগাহের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। রোববার এখানেই প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদুল ফিতরে মানুষ পরিবার নিয়ে ঈদের জামাতে অংশগ্রহণ করে সন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। আশা করছি এবারও সবাই একইভাবে ঈদের জামাতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
তিনি আরো বলেন, প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। আমি আশাবাদী সবাই উৎসবমুখর পরিবেশ ঈদের জামাতে অংশগ্রহণ করবেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের জনসংযোগ কর্মমর্তা আবু নাছের বলেন, জাতীয় ঈদগাহের ক্ষেত্রফল ৩০ হাজার বর্গমিটার। এবার একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি। এখানে প্রধান ফটক রাখা হয়েছে ৩টি, এর মধ্যে ভিআইপি একটি আর সাধারণ মানুষের জন্য দুইটি। জাতীয় ঈদগাহে নামাজের জন্য কাতার করা হবে ১২১টি। এর মধ্যে ভিআইপি ৬টি, সাধারণ মানুষের ১১৫টি। এছাড়া জাতীয় ঈদগাহে ১৪০ জন করে এক সঙ্গে ওজু করতে পারবেন।
তিনি আরো বলেন, জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার জামাতের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। মুসল্লিদের জন্য ১০টি এয়ারকুলার, ৫৫০টি সিলিং ফ্যান, ১৫০টি স্ট্যান্ড ফ্যান, ৭৪০টি লাইট লাগানো হয়েছে। এছাড়া ভ্রাম্যমাণ টয়লেট, প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা, বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা, সামিয়ানা, পর্যাপ্ত কার্পেট সুবিধা রাখা হয়েছে।