জাইকার চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ইচিগুচি টমোহুদি জানিয়েছেন, এ প্রযুক্তির নাম এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম। সহজভাবে বললে বিদ্যুতচালিত এ ট্রেনের সঙ্গে থাকছে ব্যাটারির ব্যাকআপ। যদি কোনো কারণে বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ হয়ে যায়, তখন ট্রেনকে পরবর্তী স্টেশন পর্যন্ত টেনে নেবে এই প্রযুক্তি।
জাইকার এ কর্মকর্তা জানান, মেট্রোরেলে ইএসএস সিস্টেম বা এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম আছে, যা ট্রেন চলাচলের সময়ই শক্তি সঞ্চয় করে রাখবে। এ শক্তি জমা থাকবে দুটি বগির নিচে থাকা ব্যাটারিতে। কোনো কারণে বিদ্যুৎ চলে গেলে জমা রাখা সেই শক্তি ব্যবহার করে রেলটি পরের স্টেশন পর্যন্ত যেতে পারবে। নিরপত্তা নিশ্চিতের জন্য এরই মধ্যে ৩০ জন বাংলাদেশি প্রকৌশলীকে জাপানে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
.png)
একই সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির সিসি ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে ট্রেনে, যা শুধু বগির ভেতর নয়, প্ল্যাটফর্ম ও স্টেশনের ওপরও নজর রাখবে। প্রতিটি রেলে ছয়টি বগি থাকছে। তবে প্রয়োজনে বাড়তি আরও দুটি বগি যুক্ত করারও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলেও জানান জাইকার এই কর্মকর্তা।
ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন ছিদ্দিক বলেন, দুই থেকে তিন মাসের ভেতরে একদম শতভাগ অপারেশন যেভাবে চলে, সেভাবে মেট্রো চলবে। প্রথমে সকালে এবং বিকেলে চলার এক সপ্তাহ পর আমরা সময় বাড়াবো।
তিনি বলেন, প্রথমদিকে আমরা পরিপূর্ণ যাত্রী নেব না। কিন্তু যখন মানুষ অভ্যস্ত হয়ে যাবে, তখন পর্যায়ক্রমে যাত্রী সংখ্যা বাড়ানো হবে। বহরে ১২টি ট্রেন আছে। এর মধ্যে ১০টি ট্রেন শুরুতে চলাচল করবে। দুটি স্ট্যান্ডবাই থাকবে। পথে কোনো সমস্যা হলে ওই দুটি ব্যবহার করা হবে।