ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ জাতীয় ]

২১৫ কিলোমিটার বেগে উপকূলে আঘাত হানবে মোখা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২১:১১, ১৩ মে ২০২৩
২১৫ কিলোমিটার বেগে উপকূলে আঘাত হানবে মোখা
ছবি: উইন্ডি ডট কম

অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা আরো শক্তিশালী হয়ে বাংলাদেশ উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে। রোববার দুপুর থেকে সন্ধ্যার মধ্যে এটি ক্যাটাগরি-৪ ক্ষমতাসম্পন্ন ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে। ঐ সময় মোখার গতিবেগ হতে পারে ১৮০ থেকে ২১৫ কিলোমিটার।

শনিবার সন্ধ্যায় এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ দল। সংস্থাটির প্রধান আবহাওয়া গবেষক মো. খালিদ হোসাইন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঘূর্ণিঝড়টি আরো ঘনীভূত হচ্ছে। এটি বর্তমান অবস্থান থেকে উত্তর-উত্তর পূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে। রোববার দুপুর থেকে সন্ধ্যার মধ্যে এটি কক্সবাজারের দক্ষিণ অংশে আঘাত হানতে পারে।

বাংলাদেশের কক্সবাজার ও পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমার উপকূলে প্রায় ১৮০ থেকে ২১৫ কিলোমিটার দমকা বা ঝড়ো বাতাসের প্রাবল্যতাসহ এটি আঘাত হানতে পারে। এ সময় ঝড়ের শক্তির বাতাস প্রায় ২০০-২৫০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধ জুড়ে বিস্তৃত থাকতে পারে। এতে চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় এলাকায় প্রচুর ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে কক্সবাজারে সর্বাধিক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে বলে জানিয়েছে ওয়েদার অবজারভেশন টিম।

Advertisement

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কক্সবাজার ও টেকনাফ এলাকা ১৫ থেকে ২৫ ফুট উচ্চ বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। এছাড়া চট্টগ্রাম উপকূলে প্রায় ১২ থেকে ১৫ ফুট জলোচ্ছ্বাস হতে পারে।

এদিকে আবহাওয়া অধিদফতরের সর্বশেষ বুলেটিনে বলা হয়, অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৭০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া আকারে ১৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদফতর আরো জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ৯ ফুটের বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে উপকূল। এজন্য কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত, চট্টগ্রাম ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত এবং মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকাকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!