দুইজন সোমালি জলদস্যুর বরাতে এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, এক জলদস্যু তাদের জানিয়েছে, দু’দিন আগেই হাতে পৌঁছে মুক্তিপণের অর্থ। তারপর তারা সেগুলো নকল কি না যাচাই করে দেখেছে। আসল মুদ্রা নিশ্চিত হওয়ার পর নিজেদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করে নিয়েছে।
.png)
রয়টার্স আরো জানায়, মুক্তিপণ পাওয়ার পর ধীরে ধীরে জাহাজ থেকে সরে যায় দস্যুরা।
সোমালিয়ার গণমাধ্যমেও এসেছে মুক্তিপণ দেওয়ার বিষয়টি।
গত ১২ মার্চ মোজাম্বিক থেকে কয়লা পরিবহন করে আরব আমিরাতের দিকে যাওয়ার সময় জলদস্যুর কবলে পড়ে এমভি আব্দুল্লাহ। দীর্ঘ ৩১ দিন পর জাহাজটিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানায় জাহাজটির মালিক প্রতিষ্ঠান কেএসআরএম গ্রুপ।
প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জলদস্যুদের সঙ্গে জাহাজ ও নাবিকদের মুক্তির ব্যাপারে চলমান সমঝোতা সফলভাবে শেষ হলে দস্যুরা জাহাজটিকে মুক্তি দেয়।
তবে কত টাকা মুক্তিপণ দেওয়া হয়েছে এ নিয়ে কিছু বলেনি।