ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ জাতীয় ]

‘ছাগলকাণ্ডে’র সেই বাবা-ছেলে এখন কোথায়?

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৫:২৯, ২২ জুন ২০২৪
‘ছাগলকাণ্ডে’র সেই বাবা-ছেলে এখন কোথায়?
মতিউর রহমান ও তার ছেলে মুশফিকুর রহমান ইফাত। ছবি: সংগৃহীত

সম্প্রতি ‘ছাগল’ কাণ্ডে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হন মুশফিকুর রহমান ইফাত নামে এক তরুণ। এ ঘটনায় সামনে আসেন তার বাবা রাজস্ব কর্মকর্তা মতিউর রহমান। পরে তাদের পরিবারের অঢেল সম্পদের বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। চারদিকে এখন তাদের নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। এখন প্রশ্ন উঠছে- ইফাত বা তার বাবা মতিউর রহমান এখন কোথায় আছেন। কিন্তু তাদের বিষয়ে কেউ নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীর ধানমন্ডির ৮ নম্বর রোডে ৪১/২ নম্বর ইম্পেরিয়াল সুলতানা ভবনের পাঁচতলায় পরিবারসহ থাকত ইফাত। ঈদের দিনও ছিল রঙিন আলোর ঝলকানি। বাড়ির নিচে বাঁশের খুঁটিতে বাঁধা ছিল বেশ কয়েকটি গরু-ছাগল। সেগুলো কোরবানি হয়েছে। কিন্তু ছাগল কাণ্ডে সবই নিস্তব্ধ। এখন বাসার মূল ফটক বন্ধ, খুলে রাখা হয়েছে নেমপ্লেট।

শুক্রবার সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, ইফাতের পরিবার সেখানে নেই। বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী জানান, মঙ্গলবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর তারা আর ফিরে আসেননি। এদিকে বাড়ির সামনে সাংবাদিকরা অবস্থান করায় একপর্যায়ে উপর থেকে মলমূত্র ছুড়ে মারা হয়। কে বা কারা এমনটি করেছে সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

Advertisement

জানা গেছে, ছাগল কাণ্ডের পর ধানমন্ডির বাসা ছেড়ে কাকরাইলে নিজেদের আরেকটি ফ্ল্যাটে ওঠেন ইফাত, তার মা শাম্মী আখতার ও ছোট ভাই। শুক্রবার দুপুরে কাকরাইলে স্কাইভিউ মমতা সেন্টার নামে ঐ ভবনে গিয়ে জানা যায়, ভবনের ৭/ডি নম্বর ফ্ল্যাটটি তাদের। ফ্ল্যাটের নিরাপত্তাকর্মী জানান, বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত তারা এ বাসায় ছিলেন। এই ফ্ল্যাটে ইফাত, তার মা ও ছোট ভাই মাঝেমধ্যে থাকেন। সেখানে আসেন মতিউর রহমান। 

যদিও মতিউর রহমান ও তার প্রথম স্ত্রী লায়লা কানিজ লাকি বাস করেন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ৭/এ নম্বর রোডের ৩৮৪ নম্বর বাড়িতে ৫ কাঠা আয়তনের প্লটে তৈরি করা সাততলা ভবনের একটি ফ্লোরে।

এ বাড়িতে মতিউর রহমান, তার স্ত্রী ও ছেলের পাঁচটি গাড়ি রাখা। কিন্তু শুক্রবার এ বাসায় মতিউর রহমানকে পাওয়া যায়নি। মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

একটি সূত্র জানিয়েছে- ছাগল কাণ্ডের পর ছেলেকে অস্বীকার করে এনবিআর কর্মকর্তা মতিউর বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ে গা-ঢাকা দিয়েছেন। তবে ইফাত ইতোমধ্যে বিদেশ পাড়ি দিয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএইচ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!