প্রবাসি কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা শেখ তারিকুল ইসলাম জানান, মেয়েটিকে উদ্ধার করে প্রথমে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল ও পরে ঢামেক হাসপাতালে মেয়েটিকে নিয়ে যাই। চিকিৎসা শেষে রাত ১০টার দিকে রুনা হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান। এখন তাকে কোন সেফ হোমে ও রাখা হবে।
হাসপাতাল ছাড়ার আগে রুনা লায়লা বলেন, ২০১৬ সালের ১৭ মার্চ সৌদি যান। তখন থেকে এক বাসায় গৃহর্কমীর কাজ করেন। কিন্তু গত ৮ মাস তাকে কোন বেতন দেয়নি সৌদি গৃহকর্তা। তাদের অন্যায় অত্যাচারে এক সময় বাংলাদেশ অ্যাম্বেসির স্মরনাপন্ন হই। সেখানে লোকমান নামের এক স্টাফ আমোকে সহযোগীতা করেন।
.png)
এক পর্যায়ে লোকমান আমাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্নভাবে প্রতারণা করেছে। এমনকি তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কও গড়ে উঠে আমার। আমি কিটনাশক পান করার আগে একটি কাগজে লেখেছিলাম, ‘আমি যাদি মরে যাই, তাহলে আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী লোকমান, গোলামসহ ৩/৪জন।
তিনি আরো বলেন, গত ২৮ জুলাই দেশে এসেছি। কিন্তু আমার লাগেজ পাইনি। আমার তিন বছরের কষ্টের আয়ে কেনা প্রায় ৪ লাখ টাকার মালামাল ছিল। সৌদিতে লোকমান আমার লাগেজ নিজে বুকিং দিয়েছে বলে আমাকে জানিয়েছিল।
ডেইলি বাংলাদেশ/এসবি/আরএ