বুধবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বড় পুকুরিয়া কয়লাখনির সদ্য বিদায়ী এমডি এসব কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা তদন্তকারী কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে সব তথ্য দিয়েছি। আশাকরি তদন্তে সব উঠে আসবে।
হাবিব উদ্দীন আহমেদ বলেন, বিষয়টি হয়তো শুনে বিশ্বাসযোগ্য মনে নাও হতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞরা এটা বুঝতে পারবে। কয়লায় অনেক ডাস্ট ও ময়েশ্চার থাকে। সব মিলে এ শূন্যতা ২০০৫ সাল থেকে তৈরি হয়েছে বলে জানান তিনি।
.png)
এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শামছুল আলম বলেন, আমরা তদন্ত করছি। তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাবে না।
বুধবার দুদকে কয়লা খনির সদ্য সাবেক এমডি হাবিব উদ্দিন আহমদ, কোম্পানি সচিব আবুল কাশেম প্রধানীয়া, ব্যবস্থাপক (অ্যাক্সপ্লোরেশন) মোশাররফ হোসেন সরকার, ব্যবস্থাপক (জেনারেল সার্ভিসেস) মাসুদুর রহমান হাওলাদার, ব্যবস্থাপক (প্রোডাকশন ম্যানেজমেন্ট) অশোক কুমার হালদার, ব্যবস্থাপক (মেইনটেন্যান্স অ্যান্ড অপারেশন) আরিফুর রহমান, ব্যবস্থাপক (ডিজাইন অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন) জাহিদুল ইসলাম ও উপ ব্যবস্থাপক (সেফটি ম্যানেজমেন্ট) একরামুল হককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়।
এ জিজ্ঞাসাবাদ সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত চলে। বড় পুকুরিয়া কয়লা কাণ্ডে ধারাবাহিকভাবে পেট্রোবাংলা কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুদক।
ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর/এসআই