বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে আহত ছাত্র-জনতা ও ৬ উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
ডা. সায়েদুর রহমান বলেন, আহত যোদ্ধারা সব সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে সারাজীবন বিনামূল্যে সেবা পাবেন। যেসব বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে সরকারি চুক্তি থাকবে সেখানেও বিনামূল্যে সেবা পাবেন তারা। ১৭ নভেম্বরের পর সাপোর্ট সেন্টার থাকবে। সেখান থেকে সব ধরনের সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। আহতদের চিকিৎসায় সব সরকারি হাসপাতালে বেড ডেডিকেটেড থাকবে। ঢাকার সব হাসপাতালকে একটি নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে। ডিসেম্বরের মধ্যে সব প্রক্রিয়া শেষ করা হবে। এ বিষয়ে গাফিলতি কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।
.png)
এর আগে, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা মাহফুজ আলম, ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি এবং তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম, যুব ও ক্রীড়া এবং স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।
বৈঠকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম, জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধসহ শতাধিক আহত ছাত্র-জনতা উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার আহতদের দেখতে গিয়ে আগারগাঁওয়ে পঙ্গু হাসপাতালে তোপের মুখে পড়েন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা। চিকিৎসা ও অনুদানের দাবিতে এদিন দুপুর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করে রাখে আহতরা। পরে চার উপদেষ্টা গিয়ে দাবিগুলো পূরণের আশ্বাস দিলে রাস্তা ছেড়ে দেন তারা।