বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীসহ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে ওই অবস্থান কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায়। পরে দ্বিতীয় দিনের মতো বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন শুরু করে।
এদিকে, কর্মসূচি পালনরত অবস্থায় সংহতি প্রকাশ করেন ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতারা। এ সময় শিবিরের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইন খাঁন, ছাত্র অধিকার সম্পাদক আহসান হাবিব ইমরোজ এবং শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মো. মুসলিমুর রহমানসহ আরো কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।
.png)
এসময় তারা হলের প্রাধ্যক্ষ ইলিয়াস আল মামুনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ এবং তাকে দ্রুত অপসারণের দাবি জানান।
অবস্থান কর্মসূচিতে বসা ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের রোবোটিক্স অ্যান্ড মেকাট্রনিক্স বিভাগের শিক্ষার্থী মো. ইব্রাহীম বলেন, ‘প্রশাসনকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়ার পরও তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি। একই সঙ্গে অভিযুক্ত প্রাধ্যক্ষ এখনো স্বপদে পদে বহাল রয়েছেন। তাই তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত এবং ছাত্র নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত প্রভোস্টকে অপসারণ না করা পর্যন্ত আমার অবস্থান কর্মসূচি চলবে।’
এর আগে, ১৬ আগস্ট রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে ফেসবুকে পোস্ট শেয়ার করাকে কেন্দ্র করে এক শিক্ষার্থীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তার অভিযোগ ওঠে ওই হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল মামুনের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার তদন্তের জন্য ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।