প্রিয়নবি (সা.) তাঁকে আল্লাহর শুকরিয়া আদায়ের জন্য দিক-নির্দেশনা দিয়েছিলেন। যে দিক নির্দেশনা উম্মতে মুসলিমার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। হজরত মুয়ায ইবনে জাবাল অত্যন্ত সুদর্শন, মিষ্ট স্বভাব, মুক্ত হস্ত দানশীল, ভদ্র, সুবক্তা ও সুকণ্ঠের অধিকারী ছিলেন। একদিন রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁকে বললেন, ‘হে মুয়াজ! ফরজ নামাজগুলোর পর এ দোয়া পাঠ কর-
আরবি উচ্চারণ: اللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكِ وَحُسْنِ عِبَادَتِكِ
.png)
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আ-ইন্নি আলা জিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুসনি ইবাদাতিক। ‘ (মুসনাদে আহমদ, নাসাঈ, আবু দাউদ, মিশকাত)
অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমাকে তোমার জিকির ও শোকর আদায় করার তাওফিক দাও এবং উত্তমরূপে তোমার ইবাদত করার তাওফিক দান কর।’
আল্লাহ তায়ালা মুসলিম উম্মাহকে প্রিয়নবির নসিহত যথাযথ পালন এবং আল্লাহর জিকির, শুকরিয়া আদায় ও ইবাদত-বন্দেগি করার তাওফিক দান করুন। আমিন।