বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ড. মো. বশিরুল আলম এই ওয়ার্কশপ ও প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন।
ঢাকাস্থ ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে অবস্থিত ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান দূতাবাসের কনস্যুলার (ইকোনোমিক অ্যাফেয়ার্স) মাহমূদ খোসরাভী এবং বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কারী শায়খ আহমাদ বিন ইউসুফ আল আযহারী।
.png)
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকাস্থ ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কালচারাল কাউন্সেলর সাইয়্যেদ রেজা মীর মোহাম্মদী।
অনুষ্ঠানে ড. বশিরুল আলম বলেন, ইরান একটি প্রাচীন সভ্যতার দেশ। ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিতে দেশটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ। সারাবিশ্বে ইসলামের প্রচার প্রসারে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সম্প্রতি ইরানে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় ২ জন বাংলাদেশি প্রথম ও তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে। তাদের জন্য আমরা গর্ববোধ করি।
তিনি আরো বলেন, ইরানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার। আমরা আশা করি ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ হিসেবে আগামীতে ইরানের সঙ্গে বাংলাদেশের ধর্মীয় ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো জোরদার হবে।
ঢাকাস্থ ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কালচারাল কাউন্সেলর সাইয়্যেদ রেজা মীর মোহাম্মদী বলেন, পবিত্র কোরআন এসেছে মানুষকে হেদায়েতের জন্য। আল্লাহর বান্দা হিসেবে আমাদের দায়িত্ব কোরআন চর্চা করা। মুসলমান এবং আল্লাহর বান্দা হিসেবে আমাদের প্রত্যেকের ওপর দায়িত্ব কোরআনের সঙ্গে পরিচিত হওয়া। এক কথায় বলতে গেলে কোরআন এসেছে মানুষকে সঠিক পথে পরিচালিত করার জন্য। তাই উত্তম জীবন যাপনের জন্য আমাদের কুরআনকে অনুসরণ করতে হবে।
ঢাকাস্থ ইরান দূতাবাসের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশে অবস্থিত ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান দূতাবাসের কনস্যুলার মাহমূদ খোসরাভী এবং বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কারী শায়খ আহমাদ বিন ইউসুফ আল আযহারী।
আজ বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত এই ওয়ার্কশপ ও প্রদর্শনী চলবে। ইরানের বিখ্যাত কারী ও কোরআনের শিল্পীরা এই প্রদর্শনী ও ওয়ার্কশপ পরিচালনা করছেন।