ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ ধর্ম ]

আরাফার ময়দানে অবস্থানের নিয়ম

ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৩৭, ১৫ জুন ২০২৪
আরাফার ময়দানে অবস্থানের নিয়ম
ছবি: অন্তর্জাল

পবিত্র হজের অন্যতম রোকন বা ফরজ হলো উকুফে আরাফা বা আরাফার ময়দানে অবস্থান করা। হজ আদায়কারীরা ৯ জিলহজ সকালে মিনায় ফজরের নামাজ আদায় করে আরাফায় যাওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে গোসল করে একবার তাকবিরে তাশরিক, ﺍﻟﻠﻪ ﺃﻛﺒﺮ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻛﺒﺮ، ﻻ ﺇﻟﻪ ﺇﻻ ﺍﻟﻠﻪ، ﻭﺍﻟﻠﻪ ﺃﻛﺒﺮ ﺍﻟﻠﻪ ﺃﻛﺒﺮ ﻭﻟﻠﻪ ﺍﻟﺤﻤﺪ

উচ্চারণ: ‘আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ’।

অর্থ: ‘আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান। আল্লাহ ছাড়া সত্য কোনো উপাস্য নেই। আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য’। পাঠ করুন।

Advertisement

জোহরের নামাজের আগেই আরাফায় উপস্থিত হবেন। ৯ জিলহজ জোহরের সময় থেকে আরাফায় অবস্থানের সময় শুরু হয় এবং সূর্যাস্তের কিছুক্ষণ পর পর্যন্ত আরাফায় অবস্থান করা ওয়াজিব। যদি কেউ সূর্যাস্তের আগে আরাফার সীমার বাইরে চলে যায়, তাহলে সূর্যাস্তের আগে আবার তাকে আরাফার মাঠে ফিরে আসতে হবে। অন্যথায় দম ওয়াজিব হবে।

কেউ যদি জোহর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ে আরাফার ময়দানে পৌঁছতে না পারে, তাহলে সেদিন রাতের মধ্যে সুবহে সাদিক পর্যন্ত কিছুক্ষণের জন্য আরাফায় অবস্থান করতে পারলে ফরজ আদায় হয়ে যাবে। ৯ জিলহজ জোহরের পর থেকে আগত রাতের সুবহে সাদিক পর্যন্ত কিছুক্ষণের জন্যও আরাফায় অবস্থান করতে না পারলে হজ বাতিল হয়ে যায়।

আরাফায় অবস্থানের নিয়ম

আরাফায় অবস্থানকালীন সময়ে উত্তম হলো কিবলামুখী হয়ে দাঁড়িয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত তালবিয়া, দরুদ, দোয়া, জিকিরে মশগুল থাকা। সারাক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা সম্ভব হলে যতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা সম্ভব দাঁড়াবে, কিছুক্ষণ বসবে, আবার সম্ভব হলে দাঁড়াবে।

এ সময় দোয়া কবুল হয়। তাই বেশি বেশি দোয়া করা উচিত, গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত, নিজের অভাব অভিযোগগুলো আল্লাহর কাছে পেশ করা উচিত। এটা জীবনের একটি বিশেষ সময়, অনেকে হয়তো আর কখনও এ সুযোগ পাবেন না, তাই অহেতুক কাজে কিছুতেই সময় নষ্ট করা সমীচীন নয়। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, مَا مِنْ يَوْمٍ أَكْثَرَ مِنْ أَنْ يُعْتِقَ اللَّهُ فِيهِ عَبْدًا مِنَ النَّارِ مِنْ يَوْمِ عَرَفَةَ وَإِنَّهُ لَيَدْنُو ثُمَّ يُبَاهِي بِهِمُ الْمَلَائِكَةَ فَيَقُولُ: مَا أَرَادَ هَؤُلَاءِ

অর্থ: ‘আরাফার দিনের মতো আর কোনো দিন এত অধিক পরিমাণে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া হয় না। আল্লাহ তাআলা দুনিয়ার নিকটবর্তী হন এবং বান্দাদের নিয়ে ফেরেশতাদের কাছে গর্ব করেন। আল্লাহ বলেন, কী চায় তারা’? (অর্থাৎ তারা যা চায়, তাই তাদের দেওয়া হবে) (সহিহ মুসলিম: ১৩৪৮)

ডেইলি-বাংলাদেশ/জিআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!