নাসার পার্কার সোলার প্রোবের মাধ্যমে আসলে সূর্যের কাছাকাছি পৌঁছনোই একমাত্র লক্ষ্য। নতুন করে সূর্যের কাছাকাছি গিয়েছে সৌরকণার গনগনে আঁচ অনুভব করেছে পার্কার মহাকাশযান। সূর্য কীভাবে গঠন হয়েছে, আমাদের সৌরমণ্ডলের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র কীভাবে কাজ করে তা গভীরভাবে বোঝার জন্যই এই পার্কার সোলার প্রোব ১১তম বারের জন্য সূর্যের একদম কাছাকাছি গিয়েছে। এই ক্লোজ অ্যাপ্রোচ বা কাছাকাছি যাওয়াকে বলা হয় পেরিহিলিয়ন। এই সময় দেখা গেছে, পার্কার মহাকাশযান প্রতি ঘণ্টায় ৫ লাখ ৭৯ হাজার ৩৬৩ কিলোমিটার ছুটে যায়।
সম্প্রতি নাসা টিম টুইট করে জানিয়েছে, ১১তম বারে সূর্যের ৫.৩ মিলিয়ন মাইলের মধ্যে এসে পড়েছিল পার্কার সোলার প্রোব। এই দূরত্বের মধ্যে নাসার মহাকাশযান পার্কার ১৪০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটেরও বেশি তাপমাত্রা উপলব্ধি করেছে।
.png)
Today, Parker Solar Probe completed its 11th close approach to the Sun, coming within 5.3 million miles from the Sun. At this distance, the spacecraft experienced temperatures exceeding 1400°F.#ParkerPerihelion pic.twitter.com/VpN89QL98i
অন্যদিকে জানা গেছে, নাসার মহাকাশযান পার্কার যা সূর্যকে ছুঁয়ে ফেলার অভিযানে যুক্ত হয়েছে, সেই মহাকাশযান সূর্যের চারপাশে একটি উপবৃত্তাকার কক্ষপথে রয়েছে। এই মহাকাশযান তার অভিযানের প্রাথমিক পর্যায়ে ক্রমশ পৃথিবী থেকে দূরে সরে গিয়েছিল এবং বেশ অদ্ভুতভাবেই পৌঁছে যায় শুক্র গ্রহের কক্ষপথের কাছাকাছি।
নাসা জানিয়েছে, তাদের মহাকাশযান পার্কার আমাদের নক্ষত্র অর্থাৎ সূর্যের সম্পর্কে ক্রমশ বিশদে জানতে পারবে। আরও অনেক তথ্য প্রকাশ্যে আসবে এই মহাকাশযানের মধ্যে থাকা বিজ্ঞানভিত্তিক যন্ত্রাংশের মাধ্যমে। এর কারণ হল আগের তুলনায় নতুন করে সূর্যের আরও অনেকটা কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে নাসার পার্কার মহাকাশযান।
২০১৮ সালে শুরু হয়েছে নাসার পার্কার সোলার প্রোব। মূলত সূর্যকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করাই এই মহাকাশযানের কাজ।