চীনের আনহুই প্রদেশের হেফেই শহরে অবস্থিত ল্যাবরেটরিতে এই ম্যাগনেটটি তৈরি করা হয়। চুম্বকটির ব্যাস ৩৩ মিলিমিটার। আকারে খুব একটা বড় না হলেও এই চৌম্বক ক্ষেত্রটি ৪৫ দশমিক ২২ টেসলার চৌম্বকীয় ক্ষেত্র তৈরি করতে পারে।
হেইফেই লাইব্রেরির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হেইফেই কারখানাটি সর্বোচ্চ স্থির ম্যাগনেটিক ফিল্ডে পরিণত হয়েছে। এটি বিশ্বের বৈজ্ঞানিক গবেষনায় সহায়তা করবে।
.png)
এ ধরনের শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র ব্যবহারে প্রচুর জ্বালানী প্রয়োজন হয়। কিন্তু এরপরেও বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা পারমানবিক ফিউশন শক্তিকে কাজে লাগানোর জন্য শক্তিশালী চুম্বক তৈরি করে যাচ্ছেন। এই চুম্বকগুলো এতোটাই শক্তিশালী যা বিমান উত্তোলন করতে পারে।
চুম্বক তৈরির বিজ্ঞানীদের দলে প্রধান বিজ্ঞানী অধ্যাপক কুয়াং গুয়াংলি বলেন, আমাদের দেশে শক্তিশালী চৌম্বকীয় ক্ষেত্র তৈরির ল্যাবরেটরির কাজ দেরিতে শুরু হয়েছে। এরপরেও শূণ্য থেকে একেবারে নেতার পর্যায়ে পৌঁছাতে সময় লেগেছে ১০ বছর।
এর আগে ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল হাই ম্যাগনেটিক ফিল্ড ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানীরা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী চৌম্বক তৈরির রেকর্ডটি ছিল। ওই চুম্বকটি ৪৫ দশমিক ৫ টেসলা চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করতে পারে। তবে এটি কোন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজে ব্যবহৃত হয়নি।