নিউজিল্যান্ডের প্রান্তিক উপকূলে ৫০০ তিমির দেহ উদ্ধার হওয়ায় সমস্যায় পড়ে স্থানীয় প্রশাসন। সরকারের সমুদ্র উপকূল উপদেষ্টা ডেভ ল্যান্ডকুইস্ট বলেন, ‘ঐ এলাকায় মানুষ এবং তিমি উভয়ের জন্য হাঙরের আক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে। ফলে বিপর্যয় মোকাবিলায় প্রশিক্ষিত দল শেষ পর্যন্ত তিমিদের দুর্ভোগ কমাতে সক্ষম হয়নি।’ তিনি আরো বলেন, ‘উদ্ধারে নামতে না পারার এই সিদ্ধান্ত নেয়া কঠিন ছিল। কিন্তু আমাদের সেটাই করতে হয়েছে।’
জানা গেছে, সমুদ্র তীরে তিমিগুলোর মৃতদেহ ফেলে রাখা হয়েছে, যাতে করে তাতে স্বাভাবিক পচন ধরে এবং তা প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যায়।
.png)
এর আগে, ২২ সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়ার পশ্চিম উপকূলে আটকে পড়েছিল ২৩০টি পাইলট প্রজাতির তিমি। তাসমানিয়া প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এর মধ্যে ৩৫টি তিমিকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিল। ঐ তিমিগুলোকে গভীর সমুদ্র ছেড়ে দেওয়া হয়। অর্থাৎ মোট ১৯৫টি তিমি মারা গিয়েছে। প্রাণী উদ্ধারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্রেনডন ক্লার্ক বলেন, ‘আমরা সৈকত থেকে প্রায় ৩৫টি জীবিত প্রাণী উদ্ধার করতে পেরেছি। আমাদের কাজ হলো প্রাণীগুলোকে উদ্ধার করা এবং তাদেরকে সমুদ্রে ছেড়ে দেওয়া।’
মাত্র দুই বছর আগে ম্যাককোয়ারি উপকূলে ৫০০ তিমি উঠে এসেছিল। সে সময় অসংখ্য স্বেচ্ছাসেবী প্রাণীগুলোকে বাঁচানোর চেষ্টায় নেমেছিল সৈকতে। এরপরেও ৩০০টি তিমির অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল।
একের পর এক এমন ঘটনা ঘটেই চলেছে। ২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ডের দক্ষিণ দ্বীপের একটি সমুদ্রসৈকতে উঠে এসেছিল প্রায় ৭০০ তিমি। এর মধ্যে ২৫০টির মৃত্যু হয়। নিউজিল্যান্ডের পূর্ব উপকূলে সবচেয়ে তিমির দেহ উদ্ধার হয় ১৯১৮ সালে। সেবার ১০০০টি মৃত তিমির দেহ উদ্ধার হয় সৈকত থেকে।
সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন