জার্নাল ‘প্লস ওয়ান ‘-এ প্রকাশিত হয়েছে এই সংক্রান্ত গবেষণাপত্রটি। জানা গেছে, রোগীদের বাইপাস সার্জারির সময় তাদের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। পরে সেটি নিয়েই গবেষণা চালায় হাল বিশ্ববিদ্যালয় ও হাল ইয়র্ক মেডিক্যাল স্কুলের এক গবেষক দল। গবেষকরা প্রতি গ্রাম শিরার ভেতরে ১৫ ধরনের মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা ও পাঁচটি ভিন্ন ধরনের পলিমার পেয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ মিলেছে অ্যালকাইড রেসিন, সাধারণত যা কৃত্রিম রঙে পাওয়া যায়।
সব মিলিয়ে এই গবেষণার ফলাফল নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন ওয়াকিবহাল মহল। রক্ত ও কলাকোষে প্লাস্টিক থাকলে ঠিক কী ক্ষতি হতে পারে তা এখনও জানা না গেলেও অতীতের বিভিন্ন পরীক্ষায় যে ধরনের ইঙ্গিত মিলেছে তাতে উদ্বেগ বাড়ছে। এ প্রসঙ্গে গবেষক অধ্যাপক জিনেট্টি রচেল জানিয়েছেন, ‘যদিও আমি জানি না মানুষের স্বাস্থ্যে এর প্রভাব ঠিক কী। কিন্তু এটুকু বলতেই পারি, গবেষণা থেকে দেখা গিয়েছে কোষের মধ্যে প্রদাহ ও চাপ তৈরি হতে পারে।’
.png)
উল্লেখ্য, ২০২২ সালে মাতৃদুগ্ধে মিলেছিল প্লাস্টিক। ইতালির কিছু গবেষক এই তথ্য আবিষ্কার করেন। সদ্যোজাত শিশুদের সমস্যা নিয়ে গবেষণা করছিল একটি সংস্থা। সেখানেই মাতৃদুগ্ধের উপকারিতা খতিয়ে দেখতে ৩৪ জন মায়ের থেকে দুধ সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু আতসকাচের মধ্যে দিয়ে সেই দুধ দেখে চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায় বিজ্ঞানীদের। দুধের মধ্যে অজস্র মাইক্রোপ্লাস্টিক দেখতে পান তারা। এবার রক্তের মধ্যে দেখা মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিকের।
সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন