বায়ু দূষণের ওপর নজর রাখতে স্পেস এক্স ফ্যালকন ৯ রকেটের মাধ্যমে ফ্লোরিডার কেপ কার্নিভ্যাল স্পেস ফোর্স স্টেশন থেকে পাঠানো হয় এই উপগ্রহ। ট্রপোস্ফিয়ারিক এমিশন মনিটরিং অব পলিউশনের মাধ্যমে দূষণ সংক্রান্ত নানান তথ্য জানতে পারে যাবে। যা ভবিষ্যতে বায়ুদূষণ সংক্রান্ত সমস্যাগুলোকে নিরাময় করতে অনেকটা সাহায্য করবে।
টেম্পোর প্রধান কাজ হবে তিনটি প্রধান দূষণকারী উপাদানের ডেটা তৈরি করা। তার মধ্যে প্রথম হল- নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড, দ্বিতীয় হল- ফর্মালডিহাইড এবং তৃতীয় হল- ওজোন। নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড একটি বিষাক্ত গ্যাস, যা জ্বালানি পোড়ানোর মাধ্যমে নির্গত হয়। এ কারণে মানুষের শ্বাসকষ্ট ও হাঁপানিও হয়। ফর্মালডিহাইড হল পেইন্ট, আঠা এবং পেট্রলের একটি উপজাত। এতে চোখের সমস্যা ও ক্যান্সারের মতো সমস্যা হয়। ওজোনের পরিমাণ বেড়ে গেলে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি আপনার ত্বকের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।
.png)
নাসা-র দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, টেম্পোতে বিশেষ যন্ত্র বসানো হয়েছে, যা দিনের বেলায় অর্থাৎ আলোতে প্রতি ঘণ্টায় উত্তর আমেরিকার ওপর দিয়ে যাবে। এটি প্রতিবার ১০ বর্গকিলোমিটার এলাকার বায়ু দূষণের মাত্রা রেকর্ড করবে। এটি আটলান্টিক মহাসাগর থেকে প্রশান্ত মহাসাগর এবং মধ্য কানাডা থেকে মেক্সিকো সিটি পর্যন্ত যাতায়াত করবে। এটিকে বল অ্যারোস্পেস দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। দেখতে অনেকটা বড় ওয়াশিং মেশিনের মতো।