ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, প্রশান্ত মহাসাগরের কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের উপকূলবর্তী এলাকায় এ ফাটলের দেখা পাওয়া গেছে। ফাটলটি দিয়ে আগুনের গোলার মতো তীব্র বেগে উষ্ণ পানি বের হচ্ছে। পানির তাপমাত্রা সেখানে ১৫০ থেকে ২৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত।
ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক জানিয়েছে, এই ফাটলটি কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের উপকূলবর্তী পিথিয়া ওয়েসিস নামক ঢালে অবস্থিত। এই ঢালটি আবার ক্যাসকেডিয়া সাবডাকশন জোন নামক একটি ভূমিকম্প ফল্ট লাইনের ওপর অবস্থিত। যা কানাডার পশ্চিম উপকূল থেকে উত্তর ক্যালিফোর্নিয়া পর্যন্ত দীর্ঘ।
.png)
বিজ্ঞানীরা বলছেন, পানি তীব্র গরম হওয়ায় তা আশপাশের বিশাল এলাকার পানিকে উষ্ণ করে তুলছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের অরেগনের নিউপোর্ট উপকূলেও এই উষ্ণ পানির স্রোত পৌঁছে গেছে। পানি যদি এভাবে বের হতেই থাকে তবে তা স্থানীয় পানির চাপকে বাড়িয়ে দিতে পারে এবং ক্যাসকেডিয়া সাবডাকশন জোনের দুই টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষের কারণ হতে পারে। যার ফলে ভূমিকম্প দেখা দিতে পারে।
এ বিষয়ে ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্রবিজ্ঞানী ইভান সলোমন বলেছেন, ‘ফাটল দিয়ে পানি বের হওয়ার বিষয়টি অনেকটা জ্বালানি নিঃসৃত হওয়ার মতো। এবং এটিই আমাদের জন্য বাজে সংবাদ বয়ে আনতে পারে। যেকোনো সময় ভূমিকম্প তৈরি হতে পারে।’