সাধারণ একটি ডেলিভারি, যেখান থেকে চার হয়নি, ছয়ও নয়। এমতাবস্থায় একজন বোলারের একটি বল থেকে কোনো ব্যাটসম্যান সর্বোচ্চ কত রান নিতে পারেন? এ বিষয়ে ধরাবাঁধা কোনো নিয়ম নেই।
ক্রিকেটের নিয়ম বলে, একটি ডেলিভারি থেকে ব্যাটসম্যানরা যত খুশি দৌড়ে রান নিতে পারেন। কিন্তু বল সীমানার কাছাকাছি গেলেও সাধারণত ব্যাটসম্যানরা দৌড়ে তিন রানের বেশি নিতে পারেন না। কখনো কখনো দৌড়ে চার রান নিতে দেখা যায়। ফিল্ডাররা ওভার থ্রো করলে হতে পারে পাঁচ রান।
.png)
কিন্তু আজ বাংলাদেশের ফিল্ডারদের হাস্যকর এক ভুলে এবাদত হোসেনের এক বল থেকে হয়েছে ৭ রান! অথচ সেই বলে আউটও হয়ে যেতে পারতেন উইল ইয়ং।
নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ তখন বিনা উইকেটে ৯২ রান। মধ্যাহ্ন বিরতির পর প্রথম ওভারটি করছিলেন ইবাদত। ওভারের শেষ বলে ইয়ংয়ের ব্যাট ছুঁয়ে বল যাচ্ছিল প্রথম স্লিপে। কিন্তু দ্বিতীয় স্লিপে দাঁড়ানো ফিল্ডার লিটন দাস সেটিকে ক্যাচ বানাতে গিয়ে ফেলে দেন!
এরপর বল চলে যায় ফাইন লেগে। তা থেকে তিন রান নিয়ে নেন ইয়ং ও টম ল্যাথাম। সীমানা থেকে ফেরত পাঠানো বল রান আউটের নেশায় বোলিং প্রান্তে থ্রো করেন উইকেটকিপার নুরুল হাসান।
দুর্ভাগ্যবশত সেই থ্রো সব ফিল্ডারকে ফাঁকি দিয়ে চলে যেতে থাকে সীমানার দিকে। বলের পেছনে ছুটতে থাকেন এবাদত, কিন্তু নাগাল আর পাননি। ফল যা হওয়ার তাই হয়েছে, ১ বলে ৭ রান!
চার হলে আম্পায়ার হাত দিয়ে ঢেউ খেলিয়ে সংকেত দেন। ছয় হলে তিনি দুই হাত মাথার ওপর তোলেন। কিন্তু স্কোরারকে আম্পায়ার কীভাবে বোঝাবেন যে ৭ রান হয়েছে। এমতাবস্থায় এক হাতের পাঁচটি, আরেক হাতের দুটি আঙুল দেখিয়ে তিনি ৭ রানের সংকেত দিলেন!
বাংলাদেশের কল্যাণে ক্রিকেট এক বিরল ঘটনার সমুখীন হলো বটে!