ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]

শেষ মুহূর্তের দুই গোলে অ্যাথলেটিকোর জয়

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৮:২৩, ২৩ জানুয়ারি ২০২২
শেষ মুহূর্তের দুই গোলে অ্যাথলেটিকোর জয়
অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ দল

ইনজুরি টাইমের দুই গোলে কঠিন লড়াইয়ের পর শেষ পর্যন্ত ভ্যালেন্সিয়াকে লা লিগায় ৩-২ গোলে পরাজিত করেছে অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ। এই জয়ে দিয়েগো সিমিওনের দলের কিছুটা হলেও মৌসুমের শিরোপা লড়াইয়ে টিকে থাকাটা সহজ হলো।

ইউনুস মুসাহ ও হুগো ডুরোর প্রথমার্ধের দুই গোলে ওয়ান্ডা মেট্রোপলিটানোতে আরো একটি ব্যর্থতার গল্প লিখতে যাচ্ছিল স্বাগতিক অ্যাথলেটিকো। ৬৪ মিনিটে মাথিয়াস কুনহা এক গোলে পরিশোধ করলে কিছুটা হলে ঘুড়ে দাঁড়ায় সিমিওনের শিষ্যরা।

কিন্তু ম্যাচের নাটকীয়তা তখনো বাকি ছিল। ইনজুরি টাইমের প্রথম মিনিটে অ্যাঞ্জেল কোরেয়ার গোলে সমতায় ফেরার দুই মিনিটের মধ্যে মারিও হারমোসো দুর্দান্ত এক গোলে অ্যাথলেটিকোকে জয় উপহার দেন।

Advertisement

এর আগের ১০ ম্যাচের ৬টিতেই পরাজিত অ্যাথলেটিকো মৌসুমের দ্বিতীয় ভাগে এসে এই ধরনের উজ্জীবিত জয়ের মাধ্যমে শীর্ষ চারে টিকে থাকার স্বপ্ন দেখতেই পারে।

ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে সিমিওনে স্বাভাবিক ভাবেই দারুণ উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েছিলেন। দৌড়ে গিয়ে পুরো দলের সঙ্গে তিনি জয়ের আনন্দ উদযাপন করেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে ভবিষ্যত নিয়ে প্রশ্ন ওঠা সিমিওনের জন্য এই জয়টা সত্যিই জরুরী ছিল।

ম্যাচ শেষে সিমিওনে বলেছেন, আজকেও প্রথমার্ধে আমরা মোটেই ম্যাচের মধ্যে ছিলাম না। দ্বিতীয়ার্ধেও বেশ নার্ভাস ছিলাম। তবে বিরতির সময় আমি খেলোয়াড়দের বলেছিলাম যদি হেরেও যাই তবুও যেন লড়াই করে হারি, মাথা উঁচু করে মাঠ থেকে বের হতে পারি। এরপরের ঘটনাতো সবাই দেখেছে। সমর্থকদের উচ্ছ্বসিত সমর্থনই আজ আমাদের এগিয়ে দিয়েছে।

এই ম্যাচে পরাজিত হলে এ সপ্তাহটা টেবিলের সপ্তম স্থানে থেকে শেষ করতে হতো অ্যাথলেটিকোকে। এখনো চলতি সপ্তাহে বার্সেলোনা, রিয়াল সোসিয়েদাদ ও রায়ো ভায়োকানোর ম্যাচ বাকি রয়েছে। রিয়াল সোসিয়েদাদের থেকে এখনো অ্যাথলেটিকো তিন ও বার্সেলোনার থেকে চার পয়েন্ট এগিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে।

অ্যাথলেটিকোর থেকে ৭ পয়েন্ট পিছিয়ে টেবিলের নবম স্থানে রয়েছে মৌসুমে ভাল শুরু করা ভ্যালেন্সিয়া। কালকের ম্যাচে ২৫ মিনিটে গনসালো গুয়েডেসের সহযোগিতায় মুসাহ কোনাকুনি শটে ভ্যালেন্সিয়াকে এগিয়ে দেন।

৪৪ মিনিটে টনি লাটো অনেকটাই সহজেই ডি বক্সের ভিতর বল বাড়িয়ে দিয়েছিলেন ডুরোর দিকে। ঠান্ডা মাথায় বল জালে জড়িয়ে ব্যবধান দ্বিগুন করেন স্প্যানিশ ২২ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড ডুরো।

প্রথমার্ধে অনেকটাই নিষ্ক্রিয় থাকা পর্তুগীজ ফরোয়ার্ড হুয়াও ফেলিক্সকে ৫৭ মিনিটে বদলী বেঞ্চে পাঠিয়ে তার পরিবর্তে সিমিওনে মাঠে নামান ব্রাজিলিয়ান ফিলিপকে। আর এই পরিবর্তনের সাথে সাথে গোল পরিশোধ করে স্বাগতিকরা।

ইয়ানিক কারাসকোর ক্রস থেকে বাম পায়ের দারুন ফিনিশিংয়ে ৬৪ মিনিটে গোল করেন বদলী খেলোয়াড় কুনহা। এরপর অ্যাথলেটিকোর হয়ে তিনটি সুযোগ নষ্ট করেছেন লুইস সুয়ারেজ, হারমোসো ও কোরেয়া। সুয়ারেজের শট পোস্টের ঠিকানা খুঁজে পায়নি।

হারমোসোর হেড ক্রসবারের অনেক উপর দিয়ে বাইরে চলে যায়। ৯১ মিনিটে আবারো কারাসকোর ক্রস থেকে কোরেয়া অ্যাথলেটিকোকে সমতায় ফেরান। ইনজুরি টাইমে ৬ মিনিট হাতে পেয়েছিল অ্যাথলেটিকো। আর এই সুযোগে ৯৩ মিনিটে আসে জয়সূচক গোলটি।

এবার গোলটির যোগানদাতা ছিলেন কুনহা। দারুণভাবে বল ছিনিয়ে নিয়ে কুনহা হারমোসোর দিকে বল বাড়িয়ে দেন। অনেকটা ফাঁকায় দাঁড়ানো হারমোসো ভ্যালেন্সিয়ার গোলরক্ষক জমে ডোমেনেককে একা পেয়ে কোন ভুল করেননি।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!