টটেনহ্যাম হটস্পার স্টেডিয়ামে ১৮ মিনিটে ইয়ান বেডনারেকের আত্মঘাতি গোলে এগিয়ে গিয়েছিল স্বাগতিকরা। পাঁচ মিনিট পর আরমানন্ডো বোয়ার সাইড-ফুটের শটে হুগো লোরিস পরাস্ত হলে সাউদাম্পটন সমতায় ফিরে।
৭০ মিনিটে দক্ষিণ কোরীয় তারকা সন হেয়াং-মিন আবারো স্পার্সদের এগিয়ে দেন। গোলটির আগে এমারসন রয়্যালের বিপক্ষে ব্রোয়াকে ফাউলের আবেদন করেছিল সাউদাম্পটন। কিন্তু রেফারি ডেভিড কুটে ম্যাচ চালিয়ে যাবার সঙ্কেত দেন।
.png)
এই সুযোগে লুকাস মৌরার পাসে আট গজ দুর থেকে সন বল জালে জড়ান। ৮০ মিনিটে জেমস ওয়ার্ড-প্রাউসের ক্রসে মোহাম্মদ এলাইয়োনুসি সফরকারীদের সমতায় ফেরান।
দুই মিনিট পর ওয়ার্ড-প্রাইসের আরো একটি নিখুঁত ক্রসে চে অ্যাডামস সাউদাম্পটনকে দারুন এক জয় উপহার দেন। স্টপেজ টাইমে স্টিভেন বার্গউইনের গোলে আন্তোনিও কন্তের এবারের লিগে প্রথম ঘরের মাঠে পরাজয় এড়ানোর একটি সুযোগ আসলেও অফসাইডের কারনে গোলটি বাতিল হয়ে যায়।
ম্যাচ শেষে কন্তে বলেছেন, ‘পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আমাদের আরো ভালভাবে ম্যাচটি নিয়ন্ত্রণ করা উচিত ছিল। এই ধরনের পরিস্থিতিতে কি করতে হয় সেটা আরো ভালভাবে আমাদের বুঝতে হবে। আমি জানি এখনো আমার অনেক কাজ করা বাকি।’
এই পরাজয়ের পরেও চতুর্থ স্থানে থাকা ওয়েস্ট হ্যামের থেকে চার পয়েন্ট পিছিয়ে সপ্তম স্থানেই রয়েছে টটেনহ্যাম।
এদিকে অন্য এক ম্যাচে ৩-১ গোলে পিছিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত অ্যাস্টন ভিলার সাথে ৩-৩ গোলে ড্র করে মাঠ ছেড়েছে লিডস। ভিলা পার্কে ড্যানিয়েল জেমস ৯ মিনিটে লিডসকে এগিয়ে দিয়েছিলেন।
ফিলিপ কুটিনহোর ৩০ মিনিটের সমতার পর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ভিলাকে। জানুয়ারিতে বার্সেলোনা থেকে আসার পর এটা ভিলার হয়ে কুটিনহোর দ্বিতীয় গোল। আট মিনিট পর কুটিনহোর এসিস্টে জ্যাকব রামসে দারুণ ফিনিশিংয়ে ভিলাকে এগিয়ে দেন।
৪৪ মিনিটে আরো একবার কুটিনহোর সহযোগিতায় রামসে তার দ্বিতীয় গোল করলে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভিলা। প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে জেমসের হেডে এক গোল পরিশোধ করে বিরতিতে যায় লিডস।
৬৩ মিনিটে দিয়েগো লোরেন্টের গোলে পরাজয় এড়ায় লিডস। দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের কারণে ৮৭ মিনিটে মাঠ ত্যাগে বাধ্য হন ভিলার ডিফেন্ডার এজরি কোনসা।