জাতীয় দলের রাডারে আছেন কিন্তু এ মুহূর্তে দলে নেই- বাংলাদেশ টাইগার্সে মূলত তাদেরই স্থান হয়েছে। তাদের সঙ্গে আছেন টেস্ট দলের ক্রিকেটাররা। যারা টেস্ট খেলতে যাবেন না, তাদের জন্য এই দল নিজেদেরকে জাতীয় দলের জন্য প্রস্তুত রাখার মঞ্চ।
ছায়া দলের প্রথম ক্যাম্প চলছে বগুড়ায়, যেখানে উইকেট অনেকটা নিউজিল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটের মত ঘাসে ভরা ও বাউন্সি। ভিন্নধর্মী এই উইকেটে আগে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলা হলেও জাতীয় দলভিত্তিক কোনো কার্যক্রম এবারই প্রথম পেলেন ইমরুলরা। এতে স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত তারা।
.png)
এ বিষয়ে ইমরুল বলেন, ‘এখানকার উইকেটগুলো খুবই ভালো। আমরা এর আগেও এখানে অনেক ম্যাচ খেলেছি। স্পোর্টিং উইকেট, বোলার-ব্যাটার সবার জন্যই কার্যকরী। সকালে উইকেটে আর্দ্রতা থাকে, সুইং হয়, ব্যাটারের জন্য অনেক চ্যালেঞ্জিং। আবার ব্যাটাররা সেট হয়ে গেলে খুব স্বাচ্ছন্দ্যে রান করতে পারে। স্পিনের বিপক্ষেও ভালো রান করা যায়।’
তিনি আরো বলেন, ‘স্কিল উন্নতির জন্য কার্যকরী ভূমিকা রাখছে এই উইকেট। সব দিক হিসেব করলে বলব- খুব সিরিয়াস প্র্যাকটিস হচ্ছে। বাবুল (প্রধান কোচ মিজানুর রহমান বাবুল) স্যার যেভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন সেভাবে সবাই ব্যাটিং করছে। এখানকার প্রত্যেকটা সেশনই আমাদের জন্য খুব উপকারী।’
বাংলাদেশের বেশিরভাগ উইকেটের চেয়ে বেশ ভিন্ন বগুড়ার উইকেট। এখানে প্রস্তুতির সময়টা তাই উপভোগ করছেন ক্রিকেটাররা। মাঠের বাইরের সময়টাও মন্দ কাটছে না।
ইমরুলের ভাষায়, ‘আমরা বেশিরভাগ সময় স্লো উইকেটে ব্যাট করে থাকি। এরকম উইকেট পেলে স্কিলের দিক থেকে অবশ্যই উন্নতি হবে। প্রত্যেক ব্যাটারই সুযোগটাকে কাজে লাগাচ্ছে। প্রত্যেক মুহূর্ত উপভোগ করছে। প্রত্যেক সুবিধা ভালোভাবে কাজে লাগাচ্ছে। সারাদিনই তো মাঠে থাকি। এখান থেকে ফিরি প্রায় পাঁচটার দিকে। ডিনারের পর সবার মাঝে ক্রিকেট নিয়েই আলোচনা হয়। সব মিলিয়ে ভালভাবে উপভোগ করছি সময়টা।’
ইমরুলের চাওয়া, জাতীয় দলের জন্য প্রস্তুত থাকতে এমন ক্যাম্প নিয়মিত হোক। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় এরকম ক্যাম্প প্রতি বছরই করা উচিৎ। জাতীয় দলের বাইরে যারা থাকে তারা অবসর থাকলে এভাবে লম্বা ক্যাম্প করা উচিৎ। তাহলে খেলোয়াড়রা সবসময় প্রস্তুত থাকবে এবং বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য ভালো হবে।’