তবে পাকিস্তানে খেলতে যাবার আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে মৃত্যুর হুমকি পান অস্ট্রেলিয়ার বোলিং অলরাউন্ডার অ্যাস্টন আগার। পাকিস্তান সফরে গেলে তার স্বামী জীবিত ফিরতে পারবেন না বলে আগারের স্ত্রীকে হুমকি দেওয়া হয়। ঐ বাতার্র স্কিনশট হাতে পাবার পর তদন্তও শুরু করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)।
তদন্তের মাঝে ঐ বার্তা দিয়ে একটি বিবৃতিও দিয়েছে পিসিবি ও সিএ। তারা জানায়, এই ধরনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের হুমকি ‘ঝুঁকি’ হিসেবে দেখা হচ্ছে না। এরইমধ্যে পাকিস্তানের নিরাপত্তা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক স্মিথ।
.png)
পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক ধরনের খবর ছড়ায়। কিছু দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটতেই পারে।
তিনি আরো বলেন, এখানে আমাদের সাথে অনেকেই কাজ করছে। আমরা আমাদের নিরাপত্তা বিশ্বাস করি এবং আমরা পাকিস্তানে অবিশ্বাস্যভাবে নিরাপদ বোধ করছি।
২০০৯ সালে শ্রীলংকা ক্রিকেট দল বহনকারী বাসে জঙ্গী হামলার পর পাকিস্তান সফর থেকে বিরত থাকে আন্তর্জাতিক দলগুলো। তবে গত ছয় বছরে পাকিস্তান সফর করে জিম্বাবুয়ে, শ্রীলংকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকা দল।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে পাকিস্তান সফরে গিয়ে ম্যাচ শুরুর ৫০ মিনিট আগে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে সিরিজ স্থগিত করে দেশে ফিরে যায় নিউজিল্যান্ড দল। পরবর্তী পাকিস্তান সফরের নিধার্রিত সূচিতে যায়নি ইংল্যান্ডের পুরুষ ও নারী ক্রিকেট দল।
পাকিস্তানের খেলার চ্যালেঞ্জের অপেক্ষায় স্মিথ। তিনি বলেন, ‘এখানে এসে ক্রিকেট খেলতে পারাটা দারুণ একটা ব্যাপার। আমরা সবাই প্রথমবার এখানে এসেছি। সকলের মধ্যে দারুণ উৎসাহ রয়েছে। পাকিস্তানিরা ক্রিকেট নিয়ে কতটা আবেগপ্রবণ তা আমরা জানি।’
তিন ম্যাচের টেস্ট ও ওয়ানডে এবং একটি টি-২০ খেলতে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের মাটিতে পা রাখে অস্ট্রেলিয়া দল।
৪ মার্চ থেকে রাওয়ালপিন্ডিতে শুরু হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। ১২ ও ২১ মার্চ করাচি ও লাহোরে শুরু হবে পরের দুই টেস্ট। ২৯ ও ৩১ মার্চ এবং ২ এপ্রিল রাওয়ালপিন্ডিতে হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। একই ভেন্যুতে ৫ এপ্রিল হবে সিরিজের একমাত্র টি-২০।
টেস্ট ও ওয়ানডে আইসিসির ইভেন্টের অংশ।