এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ১১ ওভারে ৫ উইকেটে ৫৮ রান।
সোহান আহত হয়ে সিরিজ থেকে ছিটকে পড়ায় এ ম্যাচে তার জায়গায় বাংলাদেশের অধিনায়কত্ব করছেন আগের ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। তার বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন।
.png)
দুই ওপেনার রেগিস চাকাভা ও আরভিনের ব্যাটে জিম্বাবুয়ের শুরুটা হয় দারুণ। প্রথম তিন ওভারেই তারা স্কোরবোর্ডে ২৯ রান যোগ করেন। এর মাঝে সৈকতের করা তৃতীয় ওভারে আসে ১৫ রান।
চতুর্থ ওভারে বোলিংয়ে আসেন নাসুম আহমেদ। নিজের করা প্রথম বলেই চাকাভাকে আফিফ হোসেনের তালুবন্দী করেন তিনি। মাত্র ১০ বলে ১৭ রান করেন চাকাভা। ষষ্ঠ ওভারে জোড়া আঘাত হানেন মাহেদী হাসান।
ওয়েসলে মাধেভেরেকে ব্যক্তিগত ৫ রানে বোল্ড করার পরের বলেই বিপদজনক সিকান্দার রাজাকে সাজঘরে ফেরান মাহেদী। হ্যাটট্রিকের সুযোগ পেলেও অবশ্য সেটা কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। তবে স্বাগতিকদের একদম ব্যাকফুটে ঠেলে দিতে সেটাই ছিল যথেষ্ট।
শন উইলিয়ামসকে ২ রানের বেশি করতে দেননি সৈকত। এরপর বোলিংয়ে এসে নিজের প্রথম ডেলিভারিতেই জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক আরভিনকে স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলেন এই ম্যাচে দলে সুযোগ পাওয়া রিয়াদ। আউট হওয়ার আগে তিনি ২৭ বলে ২৪ রান করেন।