নির্ধারিত ৫০ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৩০৩ রান।
হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক রেগিস চাকাভা। এর মাধ্যমে চলতি সিরিজে দুই ফরম্যাট মিলিয়ে চার ম্যাচের সবগুলোতেই টস হারের মুখ দেখে টাইগাররা।
.png)
বাংলাদেশের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন তামিম ও লিটন। শুরু থেকেই দেখে খেলতে থাকেন দুজন। প্রথম ১০ ওভারে আসে ৫১ রান। ৭৯ বলে অর্ধশতক পূরণ করেন তামিম ইকবাল। ২৪তম ওভারে সিকান্দার রাজাকে চার মেরে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ওয়ানডে ফরম্যাটে ৮ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।
রাজার পরের ওভারেই সাজঘরে ফেরেন তামিম। যার মাধ্যমে ভাঙে বাংলাদেশের ১১৯ রানের উদ্বোধনী জুটি। তামিম ফেরার পর ফিফটি পূরণ করেন লিটন দাসও। যেভাবে খেলছিলেন, সেঞ্চুরি পাওয়া ছিল সময়ের ব্যাপার। কিন্তু ভাগ্য সহায় হয়নি। তার আগেই চোট পেয়ে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি।
৭৫ বলে ব্যক্তিগত অর্ধশতক পূরণ করেই রূদ্রমূর্তি ধারণ করেন লিটন। পরবর্তী ১৪ বলে তিনি করেন ৩১ রান। এমতাবস্থায় সেঞ্চুরি যেন তাকে হাতছানি দিয়ে ডাকছিল। রাজার করা ইনিংসের ৩৪তম ওভারের প্রথম বল ১ রানের জন্য ঠেলে দিয়েই মাটিতে বসে পড়েন তিনি। শেষ পর্যন্ত মাঠ ছাড়েন স্ট্রেচারে করে।
এর আগে তাকে সঙ্গ দিচ্ছিলেন এনামুল হক বিজয়। যিনি দীর্ঘ তিন বছর পর ফিরেছেন ওয়ানডে দলে। টেস্ট ও টি-২০তে ব্যর্থ হলেও প্রিয় ফরম্যাটে সুযোগ পেয়েই ফর্ম ফিরে পান বিজয়। ৪৭ বলে পূরন করেন ফিফটি। এ ম্যাচে অভিষিক্ত জিম্বাবুইয়ান পেসার ভিক্টর নিয়ুচির বলে সাজঘরে ফেরার আগে ৬২ বলে ৭৩ রান করেন তিনি।
শেষ ওভারে মুশফিকুর রহিমও পান অর্ধশতকের দেখা। তিনি ৫২ ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ২০ রানে অপরাজিত থাকেন। জিম্বাবুয়ের হয়ে নিয়ুচি ও রাজা একটি করে উইকেট শিকার করেন।