সংখ্যাটা কত? শুনলে অবাক হতে হবে। পুরো ম্যাচে ৮০ মিনিট মাঠে থেকেছেন নেইমার। এই সময়ে মোট ৯ বার ফাউলের শিকার হয়েছেন ব্রাজিলের এই মহাতারকা। বিশ্বকাপে এক ম্যাচে এর চেয়ে ফাউলের শিকার হননি আর কেউই। শেষমেশ মাঠ ছেড়েছেন ডানপায়ের অ্যাঙ্কেলে চোট নিয়ে।
ম্যাচের ৮০ মিনিটে অ্যান্টনিকে মাঠে এনে তাকে তুলে নেন কোচ তিতে। তিনি যখন মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন, তখন পুরো ব্রাজিল দল তার চারপাশে ঘিরে ধরেছিল। সবার চোখে-মুখে চিন্তার ভাঁজই বলে দিচ্ছিল, চোটটা বড় দুশ্চিন্তাতেই ফেলে দিয়েছে সবাইকে।
ম্যাচ শেষে ব্রাজিল কোচ তিতে এলেন সংবাদ সম্মেলনে।
.png)
সেখানে দাপুটে জয়ের তৃপ্তির চেয়ে দুশ্চিন্তাই ভেসে উঠছিল তার চোখে মুখে। নেইমারের চোট কতটা গভীর, বিশ্বকাপে তার খেলায় কোনো সমস্যা হবে কি না, সেটা নিয়ে কথা বলেছেন ব্রাজিল বস। এরপর অবশ্য ব্রাজিল দলের ডাক্তার রদ্রিগো লাসমার জানিয়েছেন, নেইমারের এই চোটের গভীরতা জানতে অপেক্ষা করতে হবে অন্তত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা।
নেইমারের পায়ের অবস্থা দেখা গেছে ছবিতে, সেখানে দেখা যাচ্ছিল, পায়ের গোড়ালি ফুলে গেছে তার। মাঠ ছাড়ার ভিডিওতে দেখা যাচ্ছিল, খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে মাঠ ছাড়ছেন তিনি। তাতে চোটটা গভীর বলেই ধারণা করা হচ্ছে।