বিরতির আগে তারা এক গোলে এগিয়ে ছিল। বিরতি থেকে ফিরে দলের লিড আরো বাড়িয়ে নিলেন ডাইডহিউ। তার পর আরো দুই গোলে এগিয়ে যায় সেনেগাল। যদিও কাতার এক গোল পরিশোধ করে, তাতে আর জয়ের ব্যবধান কমা ছাড়া জয় এড়াতে পারেনি স্বাগতিক কাতার।

.png)
হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করা দুই দল প্রথম জয়ের মিশনে। আর প্রথমার্ধ শেষে এগিয়ে আফ্রিকার চ্যাম্পিয়নরা। রক্ষণের ভুলে বিরতির আগে গোল খেয়েছে কাতার। বোলায়ে দিয়ার একমাত্র গোল গড়ে দিয়েছে পার্থক্য। ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধের বিরতিতে যায় সেনেগাল।
প্রথমার্ধে সেনেগাল সব দিক থেকেই এগিয়ে ছিল। ৪১ মিনিটের মাথায় তারা গোলও পেয়ে যায়। দলকে এগিয়ে দেন বোলায়ে দিয়া। সেনেগালের দিয়াতার শটে বক্সে বল ক্লিয়ার করার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যান ডিফেন্ডার বুয়ালেম খুউখি। আলগা বল পেয়ে ডান পায়ের শটে জালে পাঠান দিয়া। ১ গোলে এগিয়ে যায় সেনেগাল
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে সেনেগাল। ইসমাইল জেকবসের কর্নারে দারুণ হেডে গোলটি করেন ফরোয়ার্ড ফামাহা ডিডিউ। ২ গোলে পিছিয়ে পড়ে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া হয়ে উঠে কাতার।
ইসমাইল মোহাম্মাদের ক্রসে ডি-বক্সে লাফিয়ে হেডে বিশ্বকাপে দেশের হয়ে প্রথম গোল করেন ফরোয়ার্ড মোহামেদ মুনতারি। ম্যাচে ফেরার আশায় বুক বাঁধেন স্বাগতিক সমর্থকরা।
৮৪তম মিনিটে ব্যবধান আবার বাড়িয়ে নেয় সেনেগাল। সতীর্থের পাস ডি-বক্সে পেয়ে কাটব্যাট করেন এলিমানে এনদিয়া, আর পেনাল্টি স্পটের কাছাকাছি থেকে শটে বল জালে পাঠান বাম্বা দিয়েং। ফলে ম্যাচের ফলাফল দাঁড়ায় ৩-১।
এই জয়ের পর দুই ম্যাচে তিন পয়েন্ট হলো সেনেগালের। একটি করে ম্যাচ খেলে তাদের সমান ৩ পয়েন্ট নেদারল্যান্ডস আর ইকুয়েডরের।