প্রথমার্ধ গোলশূন্য ড্র এবং জয়সূচক দুটি গোলই এসেছে বিরতির পর। বেনফিকার মাঠে দু’দলই লড়াই ছিল সমানে সমান। প্রথমার্ধে কেউই একক আধিপত্য বিস্তার করতে পারেনি। তাই ম্যাচের উত্তাপও ছিল অপেক্ষাকৃত কম। দ্বিতীয়ার্ধের মাত্র ৬ মিনিটেই প্রথম ডেডলাইন ভাঙে ইন্টার। ৫১ মিনিটে আলেসান্দ্রো বাস্তোনির ক্রসে পাওয়া বল হেড দিয়ে জালে পাঠান নিকোলো বারেল্লা (১-০)। এরপর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালায় বেনফিকা। কিন্তু ইন্টারের রক্ষণাত্মক মনোভাব তাদের চেষ্টাকে ব্যর্থ করে দেয়।
কিন্তু স্বাগতিকা বেনফিকার গোলের মরিয়া চেষ্টার মাঝেও তারা উল্টো গোল খেয়ে বসে। তবে এতে অবদান আছে বেনফিকার জোয়াও মারিওর। হাত দিয়ে বল ঠেকিয়ে ম্যাচের ৭৭তম মিনিটে পেনাল্টির সুযোগ করে দেয় সফরকারীদের। সেখান থেকে সফল স্পট কিক নেন লুকাকু। তার সেই বলই ইন্টারের জয় নিশ্চিত করে দেয়।
.png)
এদিকে ইউরোপের সেরা মঞ্চে ১২ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টারের দেখা পেল মিলান। এক সময় ইউরোপের ফুটবলে রাজত্ব করা ক্লাবটি হঠাৎই পিছিয়ে পড়েছিল। এবারও সিরি আ’য় তারা পথ হারিয়েছে। তবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জয়রথ ধরে রেখেছে সাবেক শিরোপাধারীরা। পর্তুগিজ ক্লাব বেনফিকারও ইতিহাস বেশ সমৃদ্ধ।