ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

চিরকুট লিখে ফাঁস নিলেন ইন্টার্ন চিকিৎসক

কুমিল্লা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫:৪৫, ১৯ জানুয়ারি ২০২৩
চিরকুট লিখে ফাঁস নিলেন ইন্টার্ন চিকিৎসক
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের (কুমেক) হোস্টেলে অ্যাপ্রোন পরা অবস্থায় এক ইন্টার্ন চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (১৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে সিলিং ফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেন হোস্টেলের শিক্ষার্থীরা।

মৃত চিকিৎসক মিনহাজ উল করীম ভূঁইয়া কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ২৪তম ব্যাচের ইন্টার্ন চিকিৎসক ছিলেন। তার বাড়ি চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই এলাকায়।

Advertisement

মরদেহ উদ্ধারের সময় তার পড়ার টেবিলের কক্ষে একটি চিরকুট পাওয়া যায়, ‘সেখানে লেখা আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।’এ সময় তার পরনে অ্যাপ্রোন ছিল।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বুধবার রাতে সার্জারি-১ বিভাগে তার নাইট ডিউটি ছিল। কিন্তু যথা সময়ে তিনি হাসপাতালে না এলে একাধিকবার তাকে কল করা হয়। কিন্তু তিনি কল রিসিভ করেননি। একপর্যায়ে রাত ৯টা পার হয়ে গেলেও তিনি হাসপাতালে না আসায় ২৫তম ব্যাচের মোদাচ্ছের নামে এক ইন্টার্নিকে তার হোস্টেলে পাঠানো হয়। সেখানে গিয়ে তার কক্ষের দরজা বন্ধ দেখতে পান মোদাচ্ছির। দরজা ধাক্কা দিলেও কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যায় না। এ সময় তিনি পাশের কক্ষের শিক্ষার্থীদের ডেকে আনেন। তারা জানালা দিয়ে দেখেন, অ্যাপ্রোন পরা অবস্থায় সিলিং ফ্যানের সঙ্গে মিনহাজ ঝুলে আছেন। দ্রুত দরজা ভেঙে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। কিন্তু এর অনেক আগেই তিনি মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।  

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের এক চিকিৎসক জানান, ছাত্রজীবনে একাধিকবার ফেল করায় তার মধ্যে মানসিক বিষন্নতা ছিল। আত্মহত্যার পেছনে পুরোনো বিষন্নতার পাশাপাশি পারিবারিক কোনো কারণও থাকতে পারে।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আহমেদ সনজুর মোর্শেদ বলেন, যে কক্ষে মিনহাজের মরদেহ পাওয়া গেছে সেখানে তিনি একাই থাকতেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি নোট পাওয়া গেছে। তার মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!