সালাউদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশের ফুটবলের পরিবেশ পছন্দ না হওয়ায় বাংলাদেশে আর কাজ করতে চান না বলে অব্যাহতি চেয়েছেন ব্রিটিশ টেকনিক্যাল ডিরেক্টর পল। দুই-একদিনের মধ্যে দেশে ছুটি কাটাতে যাবেন স্মলি। বাংলাদেশে ফিরতে পারেন ১৪ মে। ফিরেই আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের পদত্যাগ পত্র জমা দিতে পারেন বাফুফের কাছে।
২০১৬ সালের শেষ দিকে বাফুফেতে যোগ দিয়েছিলেন স্মলি। প্রথম দফায় দায়িত্ব পালনের পর ২০১৯ সালে ফিরে যান চুক্তি শেষ হওয়ায়। ২০২০ সালের জুনে চার বছরের চুক্তিতে আবারও ফেরানো হয় তাকে। দ্বিতীয় মেয়াদে তার চুক্তি ছিল ২০২৪ সাল পর্যন্ত। চুক্তির আরও এক বছর বাকি থাকলেও বাংলাদেশে থাকতে চান না বলে জানিয়ে দিয়েছেন সালাউদ্দিনকে। বাফুফে সভাপতির বাসায় গিয়ে নিজেই এমন অনুরোধ করেছেন স্মলি। তাকে থাকার অনুরোধ যেন করা না হয় সেই বিষয়েও বলেছেন বাফুফে সভাপতিকে।
.png)
তবে ফুটবল মহলে গুঞ্জন, বাংলাদেশের ফুটবলের চরম দুঃসময় দেখে নিজেই কেটে পড়ছেন স্মলি। আবু নাঈম সোহাগের মতো বাফুফের একটা অংশ নিজের দখলে রেখেছিলেন এই ব্রিটিশ।
গনমাধ্যমে সংবাদ অনুযায়ী জাতীয় দলের কোচ নিয়োগসহ কোচদের লাইসেন্স প্রদানেও স্বেচ্ছাচারিতা করেছেন তিনি।
তবে সালাউদ্দিনের শঙ্কা, স্মলিকে হারালে ধ্বংস হয়ে যাবে বাংলাদেশ নারী ফুটবল। বাফুফের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হলেও পুরুষ ফুটবলের চাইতে, নারী ফুটবল নিয়েই বেশি ব্যস্ত সময় পার করেছেন পল।