ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে। আইসিসির ওয়েবসাইটে (icc.tv) ম্যাচটি সরাসরি দেখানো হবে।
প্রথম ওয়ানডে বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হবার পর দ্বিতীয় ম্যাচে ৩২০ রানের লক্ষ্য স্পর্শ করে ৩ উইকেটে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। ফলে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে টাইগাররা।
.png)
দ্বিতীয় ওয়ানডেতে যেভাবে জয় পেয়েছে সেটা আধুনিক ক্রিকেটের সঙ্গে মানিয়ে নিতে আত্মবিশ্বাস যোগাবে দলকে। শুরুতেই দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পড়েছিলো বাংলাদেশ। কিন্তু টার্গেট স্পর্শে আত্মবিশ্বাসী ছিলো দল।
চতুর্থ উইকেটে নাজমুল হোসেন শান্ত এবং তৌহিদ হৃদয়ের ১৩১ রানের জুটিতে জয়ের মঞ্চ পায় টাইগাররা। দুই তরুণের ব্যাটে চড়ে জয় পাওয়াটা বাংলাদেশের জন্য ছিল বিশেষভাবে আনন্দদায়ক।
এ ম্যাচে সবচেয়ে বড় বিষয় শান্তকে পরিণত দেখতে পাওয়া। দেশের সেরা তরুণ খেলোয়াড় হওয়া সত্ত্বেও বেশিরভাগ ম্যাচেই দলের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু যখন খুব বেশি প্রয়োজন, ঠিক তখনই জ্বলে উঠে বাংলাদেশকে দুর্দান্ত জয় এনে দিলেন এ ব্যাটার।
ম্যাচ শেষে শান্ত বলেন, ‘আমি সেঞ্চুরির কথা ভাবছিলাম না। আমি শুধু বল দেখে খেলেছি এবং আমি জানি যদি ঠিকঠাক ব্যাট করতে পারি তাহলে সেঞ্চুরি করতে পারবো।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমি খুবই খুশি। কারণ এটি আমার প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি এবং আমি যেভাবে ব্যাট করতে চেয়েছিলাম, সেভাবে করেছি। কিন্তু খেলা শেষ করে আসতে পারলে আমি আরো বেশি খুশি হতাম।’
২৩ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পান শান্ত। সতীর্থ হৃদয়কে কৃতিত্ব দিতে ভুলে যাননি তিনি। সর্বশেষ ঘরের মাঠে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজেই অভিষেক হয়েছিলো হৃদয়ের।
শান্ত বলেন, ‘উইকেটে আসার পর হৃদয় যেভাবে ব্যাটিং করেছে এবং যে মনোভাব দেখিয়েছে সেটা আমাকেও সাহায্য করেছে এবং তাকে কখনও নার্ভাস দেখায়নি। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল আমরা ফলাফল নিয়ে ভাবিনি এবং আমাদের স্বাভাবিক খেলাটি খেলার চেষ্টা করেছি।’
২০১০ সাল থেকে ওয়ানডেতে কখনোই বাংলাদেশকে হারাতে পারেনি আয়ারল্যান্ড। এখন পর্যন্ত ওয়ানডেতে ১৫বার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। এর মধ্যে ১০টিতে জিতেছে এবং দুটিতে হেরেছে বাংলাদেশ। তিনটি ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়।
২০০৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্রিজটাউনে প্রথমবারের দেখায় বাংলাদেশের বিপক্ষে জয় পেয়েছিলো আয়ারল্যান্ড। ২০১০ সালে বেলফাস্টে শেষবার বাংলাদেশকে হারিয়েছিলো আইরিশরা।
বাংলাদেশ দল: তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), লিটন দাস, রনি তালুকদার, নাজমুল হোসেন শান্ত, তৌহিদ হৃদয়, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, ইয়াসির আলী, মেহেদি হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, এবাদত হোসেন, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী।
আয়ারল্যান্ড দল: অ্যান্ড্রু বালবির্নি (অধিনায়ক), মার্ক আদাইর, কার্টিস ক্যাম্পার, গ্যারেথ ডেলানি, জর্জ ডকরেল, স্টিফেন দোহেনি, ফিওন হ্যান্ড, গ্রাহাম হিউম, জশ লিটল, অ্যান্ডি ম্যাকব্রিন, পল স্টার্লিং, হ্যারি টেক্টর, লরকান টাকার ও ক্রেইগ ইয়ং।