সম্প্রতি স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিক দিয়ারিও এএসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সৌদির খেলোয়াড় হাইজ্যাক নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দেন ক্রুস। তার কাছে এমনটা ফুটবলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার সমান।
সবাই গেলেও ক্রুস সৌদিতে যাবেন না সেটিও জানিয়ে দেন এভাবে, ‘তারা টাকার জন্য সেখানে যাচ্ছে। আমি মনে করি এটা ফুটবলের বিরুদ্ধে যাওয়ার সমান। আমি কখনো সৌদিতে যাবো না কারণ সেখানে মানুষের অধিকার হনন করা হয়।’
.png)
এটা ঠিক ক্যারিয়ারের শেষ দিকে অনেক ফুটবলারই ইউরোপের বাইরে পাড়ি জমান। তাই বলে তরুণ কিংবা আগামীর তারকারাও সেখানে যাবেন। এমনটা হয়তো মানতে পারছেন না বলেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রুস।
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো সৌদিতে যাওয়ার পর মানুষ ততটা সমালোচনা করেনি। কারণ তার ক্যারিয়ারের শেষ সময় চলছে। এরপর করিম বেনজেমার বেলায়ও একই অবস্থা। কিন্তু নেইমারের সেখানে যাওয়ার পর লোকে ‘একি’ করলেন রব তোলে। স্বাভাবিক, তার মতো একজন তারকা তাও ক্যারিয়ারে বহু শূন্যতা রেখে মূল ধারা থেকে হাওয়া হয়ে যাওয়া কারই বা ভালো লাগবে।
শুধু বেনজেমা, নেইমারই নন, তাদের পথেই হেটেছেন মরক্কোর বিশ্বকাপ মাতানো গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনো। সাদিও মানে তো আগেই সেখানে নাম উঠিয়েছেন। এখন শোনা যাচ্ছে লিভারপুলের মিশরীয় তারকা মোহামেদ সালাহর কথা।