যদিও চোটের কারণে এদিন মাঠে ছিলেন না সিটির গত মৌসুমের সর্বোচ্চ গোলদাতা আর্লিং হালান্ড। তবে তাতে সিটিজেনদের ভাবনায় পড়তে হয়নি। প্রতিপক্ষের ভুলে এগিয়ে যাওয়ার পর বাকি গোল দুটি করেন মাতেও কোভাচিচ ও বার্নার্দো সিলভা।
এই মাঠেই আগামী শুক্রবার শিরোপার লড়াইয়ে কোপা লিবার্তোদোরেস চ্যাম্পিয়ন ফ্লুমিনেন্সের মুখোমুখি হবে ম্যানচেস্টার সিটি। আগের আট ম্যাচে মাত্র তিনটিতে জেতা ইংলিশ ক্লাবটি প্রত্যাশিতভাবেই এদিন আক্রমণাত্মক শুরু করে। যদিও প্রতিপক্ষের জমাট রক্ষণে তাদের আক্রমণগুলো বারবার ভেস্তে যাচ্ছিল।
.png)
১৫ মিনিটের মাথায় বাঁ দিক থেকে জ্যাক গ্রিলিশের পাস ডি-বক্সের মুখে পেয়ে প্রথম ছোঁয়ায় জোরাল শট নেন বার্নার্দো সিলভা। কিন্তু ক্রসবারের ওপর দিয়ে উড়ে যায় বল। এর চার মিনিট পর ফের গ্রিলিশের ক্রস বক্সে সিলভাকে খুঁজে পায়। এবার গোলরক্ষক বরাবর দুর্বল শট নেন পর্তুগিজ মিডফিল্ডার।
প্রথমার্ধের বেশিরভাগ সময় নিজেদের সীমানাতেই আটকে ছিলেন উরাওয়ার খেলোয়াড়রা। বিরতির আগে গোলের উদ্দেশ্যে একটি শটও নিতে পারেনি তারা। প্রতিপক্ষকেও অনেকটা সময় ঠিকঠাক বেঁধে রাখতে পেরেছিল উরাওয়া।
কিন্তু প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ডান দিক থেকে নুনেসের ছয় গজ বক্সে বাড়ানো বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়ে উরাওয়া। দ্বিতীয়ার্ধের ৭ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কোভাচিচ। কাইল ওয়াকারের পাস ধরে জোরাল শটে ঠিকানা খুঁজে নেন তিনি।
তৃতীয় গোলের জন্য অবশ্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি সিটিকে। ৫৯তম মিনিটে নুনেসের জোরাল শট ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক। ফিরতি বল পেয়ে শট নেন সিলভা, একজনের পায়ে লেগে পোস্ট ঘেঁষে বল জালে জড়ায়।
শেষ দিকে কিছুটা আক্রমণাত্মক খেলার চেষ্টা করে উরাওয়া। যদিও সিটির গোলরক্ষক এডারসনকে তেমন পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি তারা।