ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]
বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ-২০২৪ (নারী)

লড়াই করেও ‘লজ্জা’ এড়াতে পারল না বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৯:০২, ৯ মে ২০২৪
লড়াই করেও ‘লজ্জা’ এড়াতে পারল না বাংলাদেশ
ছবি- সংগৃহীত

কোনোমতে জিতলেই ঘরের মাঠে ‘মান-ইজ্জত’ বাঁচতো বাংলাদেশ নারী দলের। আর হারলেই ধবলধোলাই-এর লজ্জা। এজন্য ভারতের বিপক্ষে তুমুল লড়াইও করেছে স্বাগতিকরা। তবে তাতে কোনো লাভ হয়নি। বাকি চার ম্যাচের মতো সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টি-২০তেও হারের তেতো স্বাদ পেয়েছে টাইগ্রেসরা। এতে সফরকারীদের কাছে ধবলধোলাইয়ের লজ্জা পেল নিগার সুলতানার দল।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৫৬ রান সংগ্রহ করে ভারত। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৩৫ রানে থেমেছে বাংলাদেশ। সফরকারীদের জয় ২১ রানে।

ভারতের দেওয়া লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভালো শুরু পায় বাংলাদেশের মেয়েরা। স্বাগতিকদের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন সোবহানা মোস্তারী ও দিলারা আক্তার। শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন সোবহানা। সেটিই কাল হয় এই ব্যাটারের।

Advertisement

ইনিংসের তৃতীয় ওভারে সোবহানাকে সাজঘরের পথ দেখান রাধা যাদব। আউট হওয়ার আগে ১৩ করেন তিনি। 

পরে ক্রিজে আসেন রুবয়া হায়দার ঝিলিক। ব্যাট হাতে আশা দেখান তিনি। কিন্তু রাধার ঘূর্ণিতে লেগ বিফোরের ফাঁদে (এলবিডব্লিউ) ঝিলিক (২০)। ব্যাট হাতে আজ জ্বলে উঠতে পারেননি টাইগ্রেস দলপতি নিগার সুলতানা জ্যোতি। ৭ রানেই তাকে থামিয়েছেন সেই রাধাই।

টপ অর্ডার ব্যাটারদের হারিয়ে বাংলাদেশ যখন বড় ব্যবধানে হারতে বসেছিল তখন ব্যাট হাতে লড়াই শুরু করেন রিতু মনি। তার ব্যাটে দলীয় শতরান পেরিয়ে যায় স্বাগতিকরা। ইনিংসের ১৭তম ওভারে আশা সোবহানার বলে ফিফটির আক্ষেপ নিয়ে সাজঘরে ফেরেন এই ব্যাটার। আউট হওয়ার আগে ৩৭ করেন তিনি।

শেষ পর্যন্ত শরিফা খাতুন রাবেয়া খানের দুর্দান্ত ব্যাটিং স্রেফ হারের ব্যবধান কমিয়েছে। তার দুজন অপরাজিত ছিলেন যথাক্রমে ২৮ ও ১৪ রানে।

ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ তিন উইকেট শিকার করেন রাধা যাদব। এছাড়া দুটি উইকেট নিয়েছেন আশা সোবহানা।

এর আগে টস জিতে ভারতের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন শেফালি ভার্মা ও স্মৃতি মান্ধানা। ইনিংসের শুরু থেকেই দেখেশুনে খেলেন তারা দুজন। তবে ভয়ানক হয়ে ওঠার আগেই শেফালির উইকেট ঝুলিতে ভরেছেন সুলতানা। তার ঘূর্ণিতে শেফালিকে তালুবন্দী করেছেন ফারিহা তৃষ্ণা। এতে নিজের শততম ম্যাচটি স্মরণীয় করার আগেই সাজঘরে ফেরেন এই ব্যাটার।

পরে ক্রিজে আসেন দয়ালান হেমালতা। তার সঙ্গে ৩৭ রানের জুটি গড়েন স্মৃতি মান্ধানা। তবে ৩৩ রানে স্মৃতি সাজঘরে ফিরলে ভেঙে যায় তাদের এ জুটি।

এরপর বাইশ গজে আসেন ভারতীয় দলপতি হারমানপ্রীত। উড়তে থাকা এ ব্যাটারকে লেগ বিফোরের ফাঁদে (এলবিডব্লিউ) ফেলেন নাহিদা। আউট হওয়ার আগে ২৪ বলে ৩০ করেন তিনি।

উইকেটে এসে ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন সাজানা (১)। তবে শেষ পর্যন্ত ব্যাট হাতে লড়াই করে দলকে বড় সংগ্রহ এনে দেন রিচা ঘোষ। ১৭ বলে ২৮ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। এতে ভারতের ইনিংস থামে ১৫৬ রানে।

বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট শিকার করেন নাহিদা আক্তার ও রাবেয়া খান। এছাড়া একটি উইকেট নেন সুলতানা খাতুন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআইএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!