এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত উগান্ডার সংগ্রহ ৬ ওভারে ৫ উইকেটে ২১ রান।
গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৮৩ রান সংগ্রহ করে আফগানিস্তান। জয়ের জন্য উগান্ডার প্রয়োজন ১৬৪ রান।
.png)
লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই হোঁচট খায় উগান্ডা। দলের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন রনক প্যাটেল ও সিমন সেসাজি। ইনিংসের প্রথম ওভারেই এ জুটিতে আঘাত হানেন ফজলহক ফারুকী।
ফারুকীর বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন রনক (৪)। পরে ক্রিজে আসেন রজার মুসাকা। উইকেটে এসেই লেগ বিফোরের ফাঁদে (এলবিডব্লিউ) পড়েন তিনি। তার উইকেটে ঝুলিতে ভরেছেন ফারুকীই।
এরপর শুধু আসা-যাওয়ার মধ্যে ছিলেন সিমন সেসাজি (৪), দিনেশ নকরানি (৬) ও অল্পেশ রমজানি (০)।
দ্রুতই পাঁচ উইকেট হারিয়ে স্নায়ুচাপে পড়েছে উগান্ডা। তবে সেই চাপ সামলে দলকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন রিয়াজত ও রবিনসন।
এর আগে টস হেরে আগে ব্যাট করে আফগানিস্তান। দলের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন ইব্রাহিম জাদরান ও রহমানউল্লাহ গুরবাজ। ইনিংসের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন তারা দুজন। তাদের ব্যাটিং তাণ্ডবে দিশেহারা হয়ে পড়ে উগান্ডা।
এ দুই ওপেনারের ব্যাট থেকে আসে ১৫৪ রান। দুই ফিফটিতে দলকে বড় সংগ্রহের পথে নেন তারা। তবে সেঞ্চুরির পথে এগোতে থাকা ইব্রাহিম জাদরান সাজঘরে ফেরালে ভেঙে যায় তাদের জুটি।
১৫তম ওভারের তৃতীয় ইব্রাহিমকে বোল্ড করেন উগান্ডার অধিনায়ক মাসাবা। আউট হওয়ার আগে ৭০ রান করেন তিনি। তার বিদায়ের পর সাজঘরে ফেরেন গুরবাজও। ৪৫ বলে ৭৬ রান করেন তিনি।
পরে ক্রিজে আসেন নাজিবউল্লাহ জাদরান। তবে উইকেটে থিতু হওয়ার আগেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন তিনি। এরপর বলার মতো কেউই পারফর্ম করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত আফগানিস্তানের ইনিংস থামে ১৮৩ রানে।
উগান্ডার হয়ে সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট নেন ব্রায়ান মাসাবা ও কসমস কয়েওয়াটা।