রোববার নিউইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ১৯ ওভারে ১১৯ রানে গুটিয়ে যায় ভারত। জবাবে নির্ধারিত ২০ ওভারে সাত উইকেটে ১১৩ রানের বেশি করতে পারেনি পাকিস্তান। দুই ম্যাচে দুই হারে বাবরদের বিদায় এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।
চিরপ্রতিদ্বন্দ্বিদের কাছে হারের পর থেকে সমালোচিত হচ্ছেন বাবর-রিজওয়ানরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের সমালোচনায় বিভোর নেটিজেনরা। এ তালিকায় পিছিয়ে নেয় দেশটির সাবেক তারকা ক্রিকেটাররাও।
.png)
ভারতের কাছে হারের পর পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের এক হাত নিয়েছেন রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস খ্যাত সাবেক পেসার শোয়েব আখতার। তিনি বলেন, ‘ম্যাচ দেখে হতাশ ও দুঃখিত। সারা দেশ মর্মাহত। দেশের জার্সি পরে নামা মানে দেশকে গর্বিত করার সুযোগ পাওয়া। এই সুযোগ হেলায় হারাল পাকিস্তান।’
তিনি আরো বলেন, ‘জয়ের জন্য নিজের সেরাটা উজাড় করে দিতে হয়। আমার মনে হয় পাকিস্তান জেতার যোগ্য দলই নয়।’
পাকিস্তানের আরেক সাবেক তারকা ওয়াকার ইউনিসও রীতিমতো ক্ষুব্ধ। তবে তিনি মুক্তকন্ঠে প্রশংসা করেছেন জাসপ্রীত বুমরার। তিনি বলেন, ‘বুমরা সত্যিকারের কিংবদন্তি। গত বছর ৫০ ওভারের বিশ্বকাপে আমদাবাদের মাটিতে ও একই জায়গায় নিখুঁত বল রেখেছিল। মাঠ পাল্টে গেলেও ওর সেই অভ্যাস পাল্টায়নি। এখানেও নিখুঁত লাইন লেংথে বল রেখে হারিয়ে দিল।’
ম্যাচের এক পর্যায়ে শেষ ৬ ওভারে পাকিস্তানের দরকার ছিল ৪০ রান, হাতে সাত উইকেট। এরপরও পাকিস্তান ম্যাচ হেরেছে ৬ রানে। তাতে ক্ষুব্ধ সাবেক অধিনায়ক ওয়াসিম আকরাম।
ম্যাচের পর তিনি বলেছেন, ‘তারা দশ বছর ধরে ক্রিকেট খেলছে এবং কিন্তু শেখাতে পারলাম না। রিজওয়ানের ম্যাচের পরিস্থিতি সম্পর্কে কোনো সতর্কতা নেই। বুমরাহ উইকেট তুলে নেওয়াই জন্যই বল করছিল এবং রিজওয়ানের উচিত ছিল দেখে শুনে খেলা। কিন্তু সে বড় শট খেলতে গিয়ে উইকেট বিলিয়ে দিয়ে এলো।’
ইফতেখার আহমেদ ও ফখর জামানের ব্যাটিং জ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ওয়াসিম আকরাম, ‘ইফতেখার শুধু লেগ সাইডে শট করতে জানেন। বছরের পর বছর দলের সঙ্গে আছেন কিন্তু জানেন না কীভাবে ব্যাট করতে হয়। পাকিস্তানি খেলোয়াড়রা মনে করেন ভালো পারফর্ম না করলে কোচদের বরখাস্ত করা হবে, তাদের কিছুই হবে না। এটাই সময় কোচদের রেখে পুরো দল পরিবর্তন করার।’