অ্যান্টিগুয়ার নর্থ সাউন্ডে বৃষ্টি নামার আগে ১১.২ ওভারে দুই উইকেটে ১০০ রান করে অস্ট্রেলিয়া। এদিন আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে আট উইকেটে ১৪০ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। জয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার প্রয়োজন ৪১ রান।
বৃষ্টিতে ম্যাচটি যদি আর মাঠে না গড়ায় তাহলে কে জিতবে, এ প্রশ্ন অনেকের মনেই ঘুরপাক খাচ্ছে। খেলা না হলে ডার্ক লুইস মেথডে (বৃষ্টি আইনে) জিতবে অস্ট্রেলিয়া। এখন পর্যন্ত ২৮ রানে এগিয়ে আছে অজিরা। সেক্ষেত্রে খেলা আর না হলে বৃষ্টি ও অজিদের কাছে হার মানতে হবে টাইগারদের।
.png)
লক্ষ্য তাড়ায় অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন ট্রাভিস হেড ও ডেভিড ওয়ার্নার। ইনিংসের শুরুতেই জীবন পান ওয়ার্নার। দ্বিতীয় ওভারে তানজিম সাকিবের বলে ক্যাচ তোলেন ওয়ার্নার। কিন্তু সেটি তালুবন্দী করতে ব্যর্থ হয়েছেন তাওহীদ হৃদয়।
এরপরেই টাইগার বোলারদের ওপর চড়াও হন দুই অজি ব্যাটার। ইনিংসের সপ্তম ওভারে এ জুটি ভাঙেন রিশাদ হোসেন। তার ঘূর্ণিতে কাটা পড়েন হেড। এর এক ওভার পরেই মিচেল মার্শকে বোকা বানিয়ে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন তিনি।
দুই উইকেট হারানো অজিকে জয়ের কক্ষপথে এগিয়ে নিচ্ছেন ম্যাক্সওয়েল-ওয়ার্নার।
এর আগে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠান অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক মিচেল মার্শ। দলটির হয়ে যথারীতি ইনিংস উদ্বোধনে নামেন তানজিদ হাসান তামিম ও লিটন দাস।
ইনিংসের প্রথম বলেই তামিমের স্ট্যাম্প উপড়ে ফেলেন মিচেল স্টার্ক। এতে তিন বল খেলেও রানের খাতা খুলতে ব্যর্থ তামিম (০)। পরে ক্রিজে আসেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। উইকেটে এসে লিটনের সঙ্গে ৫৮ রানের জুটি গড়েন তিনি।
নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালেও ব্যাট হাতে লড়াই চালিয়ে যান শান্ত। কিন্তু তাকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন জাম্পা। প্যাভিলিয়নে ফেরার আগে ৪১ রান করেন তিনি।
ব্যাট হাতে বলার মতো তেমন কিছুই করতে পারেননি সাকিব আল হাসান (৮), মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (২) ও মাহেদী হাসান (০)। শেষের দিকে তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটে মাঝারি পুঁজি সংগ্রহ করে টিম টাইগার্স। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন প্যাট কামিন্স। এছাড়া দুটি উইকেট নিয়েছেন অ্যাডাম জাম্পা।