বাংলাদেশের হয়ে খেলার অন্যতম শর্ত পাসপোর্ট। হামজা চৌধুরীর পাসপোর্ট সপ্তাহ দুয়েক আগে প্রস্তুত হয়েছে। তবে এখনো সংগ্রহ করেননি তিনি। পাসপোর্ট সংগ্রহ না করায় পরবর্তী ধাপের কর্মকাণ্ড শুরু করতে পারেনি বাফুফে।
হামজা প্রসঙ্গে বাফুফে সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার বলেন, ‘হামজার পরিবারের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ রয়েছে। হামজার ব্যস্ততায় এখনও পাসপোর্ট রিসিভ করতে পারেনি। পাসপোর্ট রিসিভ করার আগপর্যন্ত আমাদের কিছু করণীয় নেই। পাসপোর্ট গ্রহণের পর আমরা পরবর্তী প্রক্রিয়া ইংল্যান্ড ফুটবল এসোসিয়েশন এফএ এবং ফিফায় আবেদন করব।’
.png)
বাফুফের তথ্য মতে হামজার পাসপোর্ট লন্ডনস্থ হাইকমিশনে রয়েছে। সেই পাসপোর্ট রিসিভ করে বাফুফে বরাবর হামজাকে একটি চিঠি দিতে হবে যে, তিনি বাংলাদেশের হয়ে খেলতে চান। ইংল্যান্ড যুব দলের হয়ে খেলায় বাফুফে তখন ইংল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের কাছে অনাপত্তিপত্র চাইবে। ইংল্যান্ড অনাপত্তিপত্র প্রদান করলে ফিফা প্লেয়ার স্ট্যাটাস কমিটির কাছে ফাইল উত্থাপন করবে বাফুফে।
সেই কমিটি লিগ্যাল বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত প্রদান করবে। সেপ্টেম্বর উইন্ডোর আগে এই আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা বেশ কষ্টসাধ্যই মনে করছেন বাফুফে সাধারণ সম্পাদক, ‘আসলে স্বল্প সময়ে এই আনুষ্ঠানিকতা করা একটু চ্যালেঞ্জিংই। বাস্তবিক অর্থে সেপ্টেম্বর উইন্ডোতে তার খেলার সম্ভাবনা মৃদু।’
চলতি বছরে সেপ্টেম্বরের পর আরো দুটি উইন্ডো রয়েছে। অক্টোবরের ৭-১৫ এবং নভেম্বরের ১২-১৯ পর্যন্ত। সেপ্টেম্বর উইন্ডো না হলেও সামনের উইন্ডোগুলোতে খেলার সম্ভাবনা থাকছে হামজার।
সেপ্টেম্বর উইন্ডোতে বাফুফে হোম ম্যাচ আয়োজন করতে চায়। ভুটান, সিঙ্গাপুরসহ আরও কয়েক দেশের সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে বাফুফের। বর্তমান পরিস্থিতিতে হোম ম্যাচ আয়োজন করা কঠিন। এই বিষয়ে সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমরা মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছি এই বিষয়ে। রবি-সোমবার নাগাদ মন্ত্রণালয় থেকে উত্তর জানতে পারব।’
অনেক দেশ ফিফা উইন্ডোতে খেলে না নানা সীমাবদ্ধতায়। বাফুফের পরিস্থিতিও একটু নাজুক। এরপরও প্রচেষ্টা আছে ম্যাচ খেলার। কারণ সেপ্টেম্বর উইন্ডোর ফলাফল র্যাঙ্কিংয়ে প্রভাব ফেলবে। এই র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত হবে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের ড্র।