সাকিবের বিশ্বরেকর্ড, ফিফটির পর আউট রিজওয়ান
বাঁহাতি স্পিনার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বাধিক উইকেট শিকারি বোলার হিসেবে বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন সাকিব আল হাসান। নিউজিল্যান্ডের কিংবদন্তি স্পিনার ড্যানিয়েল ভেট্টোরিকে টপকে দুর্দান্ত এই কীর্তি গড়েন টাইগার অলরাউন্ডার।
ভেট্টোরিকে ৩০৫ ওয়ানডে, ৩৬২ টেস্ট আর ৩৮ টি-২০ উইকেট পেয়েছিলেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার মোট উইকেট সংখ্যা ৭০৫। রাওয়ালপিন্ডি টেস্ট শুরুর আগে সাকিবের ঝুলিতে ৭০৩ উইকেট ছিল। টেস্টের পঞ্চম ও শেষ দিনে বল হাতে ৩ উইকেট পাওয়া এ বোলার নতুন রেকর্ড গড়েন। পাকিস্তানের প্রথম ইনিংসে তিনি এক উইকেট পেয়েছিলেন। এই মুহূর্তে তার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে উইকেট সংখ্যা ৭০৭।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৯ উইকেটে ১৪২ রান। ফিফটি পাওয়া মোহাম্মদ রিজওয়ান ৫১ রানে খানিক আগে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে বোল্ড হয়েছেন। খুররাম শাহজাদ এক ও মোহাম্মদ আলী শূন্য রানে অপরাজিত আছেন। স্বাগতিকরা এখন২৪ রানে পিছিয়ে রয়েছে।
.png)
পঞ্চম দিন লাঞ্চ বিরতির পর মেহেদী হাসান মিরাজের নিচু হয়ে যাওয়া বল ঠেকাতে চেয়েছিলেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। বল আঘাত করে তার প্যাডে, লেগ বিফোরে কাটা পড়ে ফেরেন। দলীয় ১১১ রানে সপ্তম উইকেট হারায় পাকিস্তান। এরপর সাকিবের বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে মুশফিকুর রহিমের ক্যাচে পরিণত হন নাসিম শাহ।
পঞ্চম উইকেটে আবদুল্লাহ শফিক ও রিজওয়ান ৩৭ রানের জুটি গড়েন। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে অল্প সময়ের মাঝে চারটি বাউন্ডারি মারেন রিজওয়ান। দলীয় স্কোর একশ পেরোনোর পর সাকিব আল হাসানের ফ্লাইটেড ডেলিভারিতে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে সাদমান ইসলামের হাতে ধরা পড়েন ৩৭ রান করা শফিক। কোনো রান না করেই মেহেদী হাসান মিরাজের বলে স্লিপে থাকা সাদমানের তালুবন্দি হন আঘা সালমান।
এর আগে এর আগে পঞ্চম দিনের দ্বিতীয় ওভারেই পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদ ১৪ রান করে লিটন দাসের ক্যাচে পরিণত হন। বোলার ছিলেন হাসান মাহমুদ। তবে মাসুদের ক্যাচ নেওয়া লিটন পরের ওভারে শরীফুল ইসলামের বলে বাবর আজমের সহজ ক্যাচ ছেড়ে দেন।
রানের খাতা খোলার আগে লিটন দাস ক্যাচ ছেড়ে দেওয়ায় জীবন পেয়েছিলেন বাবর আজম। ইনিংসটাকে তবুও বড় করতে পারেননি। ব্যক্তিগত ২২ রানে পেসার নাহিদ রানার বলে বোল্ড হয়ে ড্রেসিংরুমে ফিরেছেন। খানিক পর সাকিব আল হাসানের বলে শূন্য রানে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়েন সৌদ শাকিল।
স্বাগতিকদের প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেটে ৪৪৮ রানে ইনিংস ঘোষণার জবাবে বাংলাদেশের ৫৬৫ রানে অলআউট হয়। পাকিস্তানের চেয়ে ১১৭ রানে এগিয়ে থেকে সফরকারীরা ফিল্ডিংয়ে নামে। দিন শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল এক উইকেটে ২৩ রান।