গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যারা নিয়মিত খেলে তাদের হালকাভাবে নেয়ার সুযোগই নেই। বিশেষ করে বাংলাদেশকে তো একেবারেই নয়। পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে ওরা দারুণ খেলেছে। রীতিমতো সমীহ জাগিয়েছে।’
মিডল অর্ডারে বাংলাদেশের ব্যাটাররা সর্বশেষ অ্যাওয়ে সিরিজে রেখেছেন কার্যকরী ভূমিকা। পেস বোলাররা করেছেন বাজিমাত। গিল তাতেই পাচ্ছেন দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস। তার মন্তব্য, ‘বাংলাদেশের পেসাররা এবং মিডল অর্ডার ব্যাটাররা দারুণভাবে নিজেদের কাজ করে চলেছে। সেদিক থেকে দেখলে বাংলাদেশের বিপক্ষে দারুণ সিরিজ হতে চলেছে।’
.png)
সাদা বলের ক্রিকেটে ওপেনিংয়ে নামলেও টেস্টে তিন নম্বরে খেলতে নামেন গিল। এ ব্যাপারে অবশ্য দলের প্রয়োজনে বাস্তবতা মানতে তার কোনো আপত্তি নেই বলেই জানালেন।
‘মাঝে মাঝে নিজের পছন্দের জায়গার বাইরেও খেলতে হয়। আপনার দক্ষতা আছে বলেই খেলানো হয়। তারপরও নিজেকে প্রমাণ করার জায়গা থাকে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে আমি তিন নম্বরে নেমে তেমন রান পাইনি। ভালো শুরু করেও ২০-৩০ রানে আটকে গিয়েছিলাম। এখন আমার একটাই লক্ষ্য, ৫০ রান করলে সেটাকে সেঞ্চুরিতে নিয়ে যাওয়া।’