এবারের নির্বাচনে ২১ পদে প্রার্থী মোট ৪৬ জন। সিনিয়র সহসভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় দায়িত্ব বুঝে নেয়ার অপেক্ষায় ইমরুল হাসান। সভাপতি পদে তাবিথ আউয়ালের জয় সময়ের ব্যাপার।
হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এরই মধ্যে বিরাজ করছে নির্বাচনী আমেজ। প্রার্থী ভোটার, সাবেক ফুটবলারের মিলন মেলায় মুখর কেন্দ্র। ফুটবল নির্বাচনের আগের দিন সবাই হোটেলে উঠেছেন। সেখানে শনিবার দুপুর ২টা থেকে হবে ভোটগ্রহণ। এর আগে হবে এজিএম।
.png)
এবারের নির্বাচনে সিনিয়র সহসভাপতি পদে ভোট হচ্ছে না। প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় বিনা লড়াইয়ে নির্বাচিত ইমরুল হাসান। সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বী থাকলেও তাবিথ আউয়ালের জয় সময়ের ব্যাপার মাত্র।
চার সহসভাপতি পদে আছেন ৬ প্রার্থী। এছাড়া ১৫ সদস্য পদে ৩৭, প্রার্থীরা ব্যস্ত শেষ মুহূর্তের ভোট প্রার্থনায়। নির্বাচন কমিশনও প্রস্তুত। নির্বাচন পর্যবেক্ষণে এসেছেন ফিফা-এএফসির প্রতিনিধি।
একজন প্রার্থী বলেন, কারো কারো সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে বা যারা ঢাকায় যারা ছিল তাদের সঙ্গে দেখা হয়েছে। আজকে সবচেয়ে বড় জিনিস হলো সমস্ত ডেলিগেটকে পাচ্ছি এখানে।
ফুটবল নির্বাচন নিয়ে আলোচনা, সমালোচনা, বিক্ষোভ, সমঝোতা, প্রত্যাশা ষড়যন্ত্র, সবই হয়েছে। এখন শুধু ভোটের লড়াইয়ের অপেক্ষা।