মাসিনু মারমা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন
আন্তর্জাতিক মঞ্চে এবার পৌঁছে গেলেন খাগড়াছড়ির পানছড়ির মেয়ে মাসিনু মারমা। জুডো ও কুস্তিতে সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে ‘নাইনথ ওয়ার্ল্ড মিট ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’-এ তিনি পেয়েছেন ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যানিটি’।
ব্যাংককের রয়্যাল রতনাকোসিন হোটেলে জমকালো আয়োজনে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। ওয়ার্ল্ড মিট টিমের এই আসরে ৫৫ দেশ অংশ নেয়। মার্শাল আর্ট, নৃত্য, সংগীত, ফ্যাশন শোসহ নানা বিভাগে প্রতিযোগীর সংখ্যা ছিল ১০ হাজারের বেশি।
মাসিনুর গল্পের শুরু ২০১৫ সালে, জুডোর ম্যাটে। দুই বছর পর, ২০১৭ সালে কুস্তিও যুক্ত হয় তার পথচলায়। এখন বাংলাদেশ জুডো ফেডারেশন ও বাংলাদেশ অ্যামেচার রেসলিং ফেডারেশনের হয়ে নিয়মিত জাতীয় পর্যায়ে খেলছেন। জুডোতে তিনি ব্ল্যাক বেল্ট, দ্বিতীয় ডানধারী। সম্প্রতি তৃতীয় ডানের পরীক্ষাও দিয়েছেন।
পরিসংখ্যানেও তার ঝুলি ভারী। জুডোতে এ পর্যন্ত জিতেছেন ২০ পদক। যার ১১টি স্বর্ণ, ৬টি রৌপ্য ও ৩টি ব্রোঞ্জ। এই পদকের ১৬টি জাতীয় পর্যায়ের, দুটি জাপান দূতাবাসের আয়োজনে এবং একটি আন্তর্জাতিক। দক্ষিণ এশিয়ান গেমসে পঞ্চম স্থানও আছে তার অর্জনের তালিকায়। কুস্তিতে জাতীয় পর্যায়ে স্বর্ণ জিতেছেন ১৪টি।
খেলোয়াড়ের পাশাপাশি তিনি রেফারিও। ২০২৩ সালের বাংলাদেশ যুব গেমসে জুডো রেফারির দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় গেমসে ছিলেন নারী জুডো রেফারি। কোচিংয়েও প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।