ঢাকা জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি সিনিয়র সহকারী কমিশনার মো. আব্দুল আওয়াল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে মরদেহগুলো হস্তান্তর শুরু হয়ে রাত সাড়ে ৮টার দিকে শেষ হয় এ প্রক্রিয়া।
তিনি আরো বলেন, নিহতের দাফনের জন্য পরিবারকে আপাতত ২০ হাজার টাকা করে দেয়া হয়েছে। আহতদেরও চিকিৎসার জন্য ২০ হাজার টাকা করে দেয়া হয়েছে।
.png)
হস্তান্তর করা মরদেহগুলোর মধ্যে রয়েছে- কেরানীগঞ্জের মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে আলম, পিরোজপুর সদর উপজেলার মৃত নুরুল হকের ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন, নরসিংদী সদর উপজেলার মৃত তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে বাবলু, নড়াইল সদর উপজেলার ইউসুফ বিশ্বাসের ছেলে রায়হান বিশ্বাস, পটুয়াখালীরর কলাপাড়া উপজেলার আনছার হাওলাদারের ছেলে ইমরান হাওলাদার, বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ইব্রাহিম খলিফার ছেলে আব্দুল খালেক, মাগুরার সালিথা উপজেলার মোতালেব মোল্লার ছেলে জিনারুল মোল্লা, জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার জসিম মিয়ার ছেলে ওমর ফারুক, বরিশাল হিজলা উপজেলার খলিল দেওয়ানের ছেলে সুজন দেওয়ান, মুন্সিগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার হানিফ দেওয়ানের ছেলে ফয়সাল দেওয়ান।
বুধবার বিকেল ৪টা ৩৫ মিনিটে কেরানীগঞ্জের ওই প্লাস্টিক কারখানায় আগুন লাগে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত। এ ঘটনায় ৩০ জনকে দগ্ধ অবস্থায় ঢামেক হাসপাতালের বার্ন উইনিটে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত ১৩ জনের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে একজন ঘটনাস্থলেই মারা যান।