আদালত সূত্রে জানা যায়, জবানবন্দিতে ‘সিনিয়রদের নির্দেশনা মেনে কাজ করার’ কথা বলেন। তাতে দেখা যায়, আবরারের মৃত্যুর জন্য নিজেকে দায়ী মনে করছেন তিনি। তবে আবরারকে হত্যা করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল না সে কথাও জানান অনীক।
অনিক আরো জানান, তাদের কথা যারা মানত না তেমন শিক্ষার্থীদের ওপর এ ধরনের নিপীড়ন তারা আগেও করেছেন।
.png)
আবরারকে নিষ্ঠুরভাবে ঘণ্টাখানেক নির্যাতন করার কথাও স্বীকার করে অনীক বলেন, সম্ভবত সে কারণেই আবরার মারা গেছেন। তাছাড়া বুয়েটে এটা নতুন কিছু নয়। সিনিয়ররা তাদের প্রায়ই এ ধরনের কাজ করতে নির্দেশনা দিতেন।
এসময় কান্নায় ভেঙে পড়ে অনীক বলেন, আবরারের মৃত্যুর জন্য সবাই আমাকে দোষ দিচ্ছে। কিন্তু আমি তো শুধু সিনিয়রদের নির্দেশনামতো কাজ করছিলাম। সিনিয়ররা আমাকে ভয়ও দেখাচ্ছিল, ব্যর্থ হলে আমাকে এর ফল বহন করতে হবে। বুয়েটের সিনিয়ররা এভাবেই কাজ করে।
অনিক আরো বলেন, আমি তো এমন ছিলাম না। নটর ডেম থেকে যখন বুয়েটে পড়তে আসি তখন খুব হাসিখুশি ছিলাম। জানি না কীভাবে এমন হয়ে গেলাম।
আদালতে অনীক সে রাতের ঘটনার পুরো বিবরণ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।