বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতের নাম সাফিউর রহমান। ৩২ বছর বয়সী সাফিউর পাঠাও যাত্রী ছিলেন।
আহত সাফিউর রহমান বলেন, আমি বারিধারা ডিওএইচএস প্যাশন সোর্সিং লিমিটেডে মার্চেন্ডাইজার হিসেবে চাকরি করি। অফিস শেষে রামপুরা থেকে পাঠাও চালিত মোটরসাইকেলে বাসায় ফিরছিলাম। পথে আমুলিয়া এলাকায় মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয় একটি তেলবাহী লরি। এতে আমরা দুজন গুরুতর আহত হই।
.png)
উদ্ধার করে নিয়ে আসা অটোচালক সোহেল রানা বলেন, তেলবাহী লরি ও চালককে আটক করে স্থানীয়রা। আমি আহতদের নিয়ে ঢাকা মেডিকেলে চলে আসি। পরে পাঠাও চালককে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতালে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বলেন, গুরুতর আহত সাফিউর রহমানের চিকিৎসা চলছে। নিহত পাঠাও চালকের পকেটে থাকা ড্রাইভিং লাইসেন্স ও জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে পরিচয় পাওয়া গেছে। তার বাসা শ্যামপুরের গেন্ডারিয়ায়। মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রয়েছে। বিষয়টি ডেমরা থানায় জানানো হয়েছে।